ই-পেপার সোমবার ● ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ● ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ● ১২ কার্তিক ১৪৩৩
নারীত্ব নিয়ে প্রশ্ন নয়- যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে প্রমাণ দেবে ম্যাখোঁ দম্পতি
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Thursday, 18 September, 2025, 3:19 PM

নারীত্ব নিয়ে প্রশ্ন নয়- যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে প্রমাণ দেবে ম্যাখোঁ দম্পতি

নারীত্ব নিয়ে প্রশ্ন নয়- যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে প্রমাণ দেবে ম্যাখোঁ দম্পতি

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ এবং তাঁর স্ত্রী ব্রিজিত ম্যাখোঁ যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে প্রমাণ দিতে যাচ্ছেন যে, ব্রিজিত একজন নারী। যুক্তরাষ্ট্রের ডানপন্থী ইনফ্লুয়েন্সার ও পডকাস্টার ক্যান্ডেস ওয়েন্স-এর বিরুদ্ধে দায়ের করা মানহানির মামলায় তারা এই পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

ক্যান্ডেস ওয়েন্স দাবি করেছেন, ব্রিজিত আসলে একজন পুরুষ হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। এই অভিযোগকে অসত্য, হাস্যকর এবং বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করে, এটি ম্যাখোঁ দম্পতির ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে গভীর আঘাত করেছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ম্যাখোঁ দম্পতির আইনজীবী টম ক্লেয়ার জানিয়েছেন, এই মামলায় তারা বৈজ্ঞানিক প্রমাণ ও পারিবারিক আলোকচিত্র উপস্থাপন করবেন। যদিও এখনও সুনির্দিষ্টভাবে কী ধরনের প্রমাণ পেশ করা হবে তা প্রকাশ করা হয়নি। তবে আদালতের নিয়ম অনুযায়ী ব্রিজিত ম্যাখোঁর গর্ভাবস্থা বা সন্তান পালনের ছবিও দাখিল করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

ক্যান্ডেস ওয়েন্স, যিনি ডেইলি ওয়্যার-এর প্রাক্তন ভাষ্যকার ও সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়, বারবার তার বক্তব্যে অনড় থেকেছেন। তিনি বলেন, এই দাবি প্রকাশ করতে তিনি নিজের পেশাগত সুনামকেও ঝুঁকিতে ফেলতে রাজি ছিলেন।

এই গুজবটি প্রথম ছড়ায় ২০২১ সালে, ফরাসি ব্লগার আমান্ডাইন রয় এবং নাতাশা রে-এর একটি ইউটিউব ভিডিও থেকে। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে ফ্রান্সে ম্যাখোঁ দম্পতি মানহানির মামলা জিতে নেন। কিন্তু ২০২৫ সালে আপিলে সেই রায় মত প্রকাশের স্বাধীনতার ভিত্তিতে বাতিল হয়। বর্তমানে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও আপিল চলছে।

২০২৫ সালের জুলাইয়ে, ক্যান্ডেস ওয়েন্সের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়্যার রাজ্যে নতুন একটি মানহানির মামলা করেন ম্যাখোঁ দম্পতি। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ওয়েন্স ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা প্রচার চালিয়েছেন এবং সত্য তথ্য উপেক্ষা করেছেন।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে জনপরিচিত ব্যক্তিদের মানহানির মামলায় বাদীকে প্রমাণ করতে হয় যে অভিযুক্ত ব্যক্তি ‘প্রকৃত বিদ্বেষ’ থেকে তথ্য দিয়েছেন-অর্থাৎ তিনি জেনেশুনে মিথ্যা বলেছেন বা ইচ্ছাকৃতভাবে সত্য এড়িয়ে গেছেন।

প্রেসিডেন্ট ম্যাখোঁ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এটি আমার সম্মানের বিষয়। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ক্যান্ডেস ওয়েন্স জানতেন যে তার কাছে মিথ্যা তথ্য রয়েছে, কিন্তু তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষতি করার জন্য এটি ব্যবহার করেছেন।

ওয়েন্সের আইনজীবীরা মামলাটি খারিজের আবেদন করেছেন, যুক্তি দিয়েছেন ডেলাওয়্যারে মামলা চালানো তার জন্য কঠিন এবং খরচসাপেক্ষ হবে। তবে মামলাটি এখনও চলমান।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status