|
তাড়াশে মাছ ধরার ধুম, চাহিদা ও বিক্রি বেড়েছে ডারকি, খোলশানির
সাব্বির মির্জা,তাড়াশ
|
![]() তাড়াশে মাছ ধরার ধুম, চাহিদা ও বিক্রি বেড়েছে ডারকি, খোলশানির অঞ্চলভেদে এসব দেশীয় সরঞ্জামের রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন নাম যেমন-ডারকি, খোলশানি, কুজি, পলই ইত্যাদি। পেশাদার ও মৌসুমি জেলেরা এগুলো ব্যবহার করে মাছ ধরে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাজারে বিক্রি করছেন। তাই হাট-বাজারে মাছ ধরার সরঞ্জাম কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা। এসব সরঞ্জামের চাহিদা থাকলেও উৎপাদন খরচ বাড়ায় এসব বিক্রি করে তেমন লাভ হচ্ছে না। এতে করে ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে কারিগররা। উপজেলার বিভিন্ন হাটে এখন বিক্রি হচ্ছে হাতের তৈরি নানা রকমের খোলশানি, ঠুশি, বিত্তি, কুজি ও পলই। আকারভেদে খোলশানি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, বিত্তি ১০০ থেকে ২৩০ টাকা, ঠুশি ৩০০ টাকা, আর পলই ১৫০ থেকে ২৫০ টাকায়। নওগাঁ, বারুহাস গুল্টাসহ হাটে খুচরা ও পাইকারি বিক্রি হয় এসব সরঞ্জাম। বৃহস্পতিবার নওগাঁ হাট, শুক্রবার বারুহাস হাট , সোমবার গুল্টা হাটে বসে মাছ ধরার সরঞ্জামের জমজমাট বাজার। ![]() তাড়াশে মাছ ধরার ধুম, চাহিদা ও বিক্রি বেড়েছে ডারকি, খোলশানির তিনি বলেন, আগের মতো লাভ নেই। বাঁশ ও সুতার দাম বেড়েছে। আগে যে সুতা ১০০ টাকায় কিনতাম, এখন লাগে ৩০০ টাকা। একসময় মাছ ধরার সরঞ্জামের জন্য বিখ্যাত ছিল। আধুনিকতার কারণে এসব সরঞ্জামের ব্যবহার কমেছে। এ ব্যবসার সাথে জড়িতদের টিকিয়ে রাখতে সরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
