কী ঘটবে যদি ভারত ও চীন রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করে দেয়?
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Thursday, 7 August, 2025, 7:12 PM
কী ঘটবে যদি ভারত ও চীন রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করে দেয়?
রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞার হুমকির মুখে পড়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত ও চীন। দুই দেশই তাদের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার করেছে। চীন এ নিষেধাজ্ঞাকে সরাসরি ‘যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও জবরদস্তি’ বলে অভিহিত করেছে।
২০২২ সাল থেকে চীন রাশিয়ার সর্ববৃহৎ তেল আমদানিকারক হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে, ভারত পশ্চিমাদের ‘ভণ্ডামি’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে— বলেছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এখনো রুশ জ্বালানি আমদানি করছে, যদিও তা আগের চেয়ে অনেক কম।ভারতের পক্ষ থেকে আরো বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর বৈশ্বিক তেলের দাম স্থিতিশীল রাখতে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই ভারতের রুশ তেল কেনাকে সমর্থন করেছিল। ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ভারতের রাশিয়া থেকে দৈনিক তেল আমদানি ০.১ মিলিয়ন ব্যারেল থেকে বেড়ে ১.৯ মিলিয়ন ব্যারেলে পৌঁছেছে—প্রায় ১৯ গুণ বৃদ্ধি। একই সময়ে চীনের আমদানি বেড়েছে ৫০শতাংশ—প্রতিদিন ২.৪ মিলিয়ন ব্যারেল।
লিথুয়ানিয়াভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার-এর জ্বালানি বিশ্লেষক পেত্রাস কাটিনাস জানিয়েছেন, পশ্চিমা দেশগুলো যখন রুশ জ্বালানি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল, তখন মস্কো ভারতে বড় মূল্যছাড় দেয়। এতে ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ভারত প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় করেছে।
তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা ভারতের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল। সেই নীতির ভিত্তিতেই ভারত রুশ ছাড়যুক্ত তেল কিনেছে এবং মূল লক্ষ্য ছিল জ্বালানি নিরাপত্তা ও খরচ কমানো।
এদিকে ‘দ্য ইকোনমিস্ট’র প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, ২০২২ সালে যখন পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনে যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার তেল বর্জন শুরু করে, তখন ভারত সেই সংকটে দেখেছিল এক বড় সুবর্ণ সুযোগ। ইউরোপের বাজারে যাওয়ার কথা ছিল এমন প্রতি দিন ২৬ লাখ ব্যারেল রাশিয়ান অপরিশোধিত তেল তখন ছাড়ের দামে বিক্রি হচ্ছিল। ২০২১ সালে রাশিয়া থেকে তেলের আমদানির পরিমাণ ছিল প্রায় শূন্যের কাছাকাছি, অথচ এর পরের বছরেই ভারত ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই তেল কিনতে। তারপর থেকেই দেশটি রাশিয়ার অন্যতম বৃহৎ তেল ক্রেতা হয়ে উঠেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতের এই কৌশল একদিকে যেমন দেশটির অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করছে, অন্যদিকে ভূরাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রেখেও চলেছে। তবে সাম্প্রতিক মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও নতুন করে শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে এই তেলনীতির ভবিষ্যৎ এখন কিছুটা অনিশ্চিত।
নতুন শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞার হুমকি
ইতোমধ্যেই ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। এরপর বুধবার তিনি একটি নির্বাহী আদেশে রুশ তেল কেনার কারণে আরো ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন, যা ২১ দিনের মধ্যে কার্যকর হবে। এই ঘোষণায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় ১ শতাংশ বেড়ে যায়।
ভারতের গণমাধ্যমগুলো বলছে, নতুন এই শুল্কের ফলে ভারতের তেল বিল ১১ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। নয়াদিল্লি এই পদক্ষেপকে ‘অন্যায়, অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, অন্যান্য দেশ ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে, যারা রাশিয়ার সঙ্গে তেল বাণিজ্য করে থাকে। এর বিস্তারিত তথ্য শুক্রবার প্রকাশ করা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দিতে পারে। যুদ্ধকালীন বাজেট চাপ, সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি (জিডিপির ৬ শতাংশের বেশি) ও প্রকৃত মুদ্রাস্ফীতি ১৫-২০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে বলে মনে করছেন অনেকে, যদিও সরকারিভাবে তা ৯ শতাংশ বলা হচ্ছে।
বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন নিষেধাজ্ঞার ফলে ২০২২ সালের মতো তেলের দাম ও বাণিজ্য প্রবাহে নতুন করে বড় ধাক্কা আসতে পারে। যদি রাশিয়ার ৫ মিলিয়ন ব্যারেল দৈনিক সরবরাহ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবারও হু হু করে বাড়বে। একজন বিশ্লেষক বলেন, ‘এই পরিমাণ তেলের বিকল্প জোগাড় করার মতো দ্রুত কোনো উৎস নেই।’
যদি রাশিয়ার দৈনিক পাঁচ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজার থেকে হঠাৎ করে সরিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তেলের দাম আবারও বাড়তে পারে। কারণ ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো অন্যান্য সরবরাহের জন্য তাড়াহুড়ো করছে। এমনকি তেল কার্টেল ওপেক সম্প্রতি উৎপাদন বৃদ্ধি করার পরেও, সীমিত অতিরিক্ত ক্ষমতা এবং লজিস্টিক সীমাবদ্ধতার কারণে এত বড় পরিমাণ তেল প্রতিস্থাপন করা স্বল্পমেয়াদে ব্যতিক্রমীভাবে কঠিন হবে।
ভারতের তেলের ঝুঁকি বাড়ছে, লাভ কমছে
কেপ্লার-এর জ্বালানি বিশ্লেষক সুমিত রিতোলিয়া বলেন, ‘যদি ২০২২ সালে ভারত রুশ তেল না কিনত, তেলের দাম ১০০, ১২০ এমনকি ৩০০ ডলার পর্যন্ত যেতে পারত।’ বর্তমানে ভারতে রুশ তেলের ছাড় প্রতিবারেল মাত্র ৫ ডলার, যেখানে ২০২২ সালে তা ছিল ১৫-২০ ডলার। এর ফলে ভারতের লাভ অনেক কমে এসেছে।
তারপরও, জুন মাসে ভারতের রুশ তেল আমদানি পৌঁছেছে ১১ মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে। প্রতিদিন ২.০৮ মিলিয়ন ব্যারেল, যা ভারতের মোট আমদানির ৪৪ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়িত হলে ভারত কিছুটা আমদানি কমাতে পারে, তবে পুরোপুরি বন্ধ করবে না। রিতোলিয়া বলেন, ‘রাশিয়া থেকে তেল আমদানি শূন্যে নামিয়ে আনা হবে না বলেই মনে হচ্ছে।’
চীনকে ছাড়, ভারতের ওপর চাপ?
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার মুখে ভারতকে নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেও চীন হয়তো এই পদক্ষেপ থেকে রেহাই পেতে পারে—এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। গ্লোবাল ট্রেড অ্যানালিস্ট লিনাস কাটিনাস বলেছেন, ‘চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মোট বাণিজ্য ভারতের তুলনায় চারগুণেরও বেশি। তাই চীনের অর্থনৈতিক প্রভাব ও মাত্রা তাকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে আংশিক বা সম্পূর্ণ ছাড় পাওয়ার সুযোগ করে দিতে পারে।’
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বার্ষিক বাণিজ্য ৫৮০ বিলিয়ন ডলারের বেশি, যা দুই দেশের মধ্যে ব্যাপক অর্থনৈতিক নির্ভরতা তৈরি করেছে। এর বিপরীতে, ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক তুলনামূলকভাবে ছোট, ফলে ভারতের আলোচনার টেবিলে প্রভাব কম।
এ ছাড়া বিশ্বজুড়ে বিরল খনিজ উপাদানের জোগান নিয়ন্ত্রণ করে চীন। যা যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কে দীর্ঘদিনের চাপের কারণ। তবে এবার সেই একই বিষয় চীন কৌশলগতভাবে ব্যবহার করে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান নরম করতে পারে। এমনটাই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। অন্যদিকে, ভারতের হাতে তেমন কোনো পাল্টা চাপ সৃষ্টির উপায় নেই, ফলে ট্রাম্প সরাসরি ভারতের ওপর কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেছেন। চলতি সপ্তাহের শুরুতে তিনি বলেন, ‘আমার নতুন নিষেধাজ্ঞার ফলে রাশিয়া ও ভারতের মৃতপ্রায় অর্থনীতিগুলো একসঙ্গে ভেঙে পড়বে।’
বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়ে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয় কেন তিনি চীনের তুলনায় ভারতকে বেশি নিশানা করছেন। জবাবে তিনি বলেন, ‘এখন তো মাত্র ৮ ঘণ্টা হয়েছে। সময় দিন, সামনে আরো অনেক কিছু দেখবেন অনেক সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞা আসছে।’
বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই অবস্থান স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে, রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক সম্পর্ক রাখা দেশগুলোর মধ্যে ভারতকে সবচেয়ে বেশি চাপে রাখা হচ্ছে এবং চীনের দিকে আপাতত কিছুটা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কৌশলে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতি দিল্লির কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কারণ একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত, অপরদিকে রুশ জ্বালানি ছাড়া এখনই ভারতীয় বাজার ও পরিশোধন শিল্প টিকিয়ে রাখা কঠিন। সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কৌশলে ভারত আরো বড় চাপে পড়তে যাচ্ছে, যেখানে চীন আপাতত কৌশলী চুপ থাকলেও ভবিষ্যতে অনেক বেশি সুবিধা আদায় করে নিতে পারে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের।
যুক্তরাষ্ট্র-ভারত ‘তেলযুদ্ধে’ জড়ালে চীনের লাভ?
দ্য ইকোনমিস্ট’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের কয়েকটি পরিশোধনাগার (রিফাইনারি) রুশ তেলের ওপর আরোপিত পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা পাশ কাটাতে সম্পূর্ণ লজিস্টিক ও আর্থিক কাঠামো গড়ে তুলেছে। এর ফলে তারা ভবিষ্যতে আরো বেশি পরিমাণ রুশ তেল আমদানি করতে সক্ষম হতে পারে। তবে চীনের শীর্ষ নেতৃত্ব স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তারা কোনো একক জ্বালানি উৎসের ওপর নির্ভরশীল হতে চান না।
বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র যদি হঠাৎ রাশিয়ার তেল রপ্তানির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করে, তাহলে বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলার বা তারও বেশি হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতি মার্কিন রাজনীতির দিক থেকেও চাপ তৈরি করতে পারে। কারণ, ডোনাল্ড ট্রাম্প আবার প্রেসিডেন্ট হলে, দীর্ঘ সময় ধরে এই উচ্চমূল্যের তেল সহ্য করা তার পক্ষেও কঠিন হয়ে দাঁড়াতে পারে।
এ কারণে, বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প হয়তো ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পথ বেছে নিতে পারেন—যেমনটি তিনি করেছিলেন ২০১৮-১৯ সালে ইরানের ওপর। ২০২৫ সালের শুরুতে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ চাহিদার তুলনায় কিছুটা বেশি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে, যা রুশ তেলের ওপর ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের প্রক্রিয়াকে সহজ করে তুলবে।
এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে ভারতের ওপর চাপ বাড়বে। কারণ, এখন দেশটি তার অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৪০ শতাংশই রাশিয়া থেকে আমদানি করে। যদি নিষেধাজ্ঞা দ্রুত কার্যকর হয়, তবে ভারতকে তার রুশ তেলের বড় অংশ অন্য উৎস থেকে প্রতিস্থাপন করতে হবে—যা ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ হবে।
বর্তমানে ‘ইউরালস’ নামের রুশ কাঁচা তেল অন্যান্য একই মানের তেলের তুলনায় প্রতি ব্যারেল ৫ থেকে ১০ ডলার কম দামে পাওয়া যায়। এই মূল্যছাড় উঠে গেলে ভারতের পরিশোধনাগারগুলোর মুনাফা কমে যাবে এবং তাদের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়বে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের জায়গা দখল করতে প্রস্তুত রয়েছে চীনের রিফাইনারিগুলো। তারা গত কয়েক মাসে রুশ তেলের মজুত বাড়িয়েছে এবং সাংহাই ও ঝেজিয়াং-এর মতো শিল্পাঞ্চলে রিফাইনিং সক্ষমতা বাড়িয়েছে। উপরন্তু, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চাপ তাদের ওপর তুলনামূলকভাবে কম, ফলে তারা আরো বড় ছাড়ে রুশ তেল কেনা চালিয়ে যেতে পারবে।
সব মিলিয়ে, রুশ তেল নিয়ে ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় চীন এখন কৌশলগতভাবে এগিয়ে থাকলেও, ভারতকেও দ্রুত বিকল্প প্রস্তুতি নিতে হবে—নাহলে আগামীর জ্বালানি নিরাপত্তা ও শিল্প মুনাফা দুটিই হুমকিতে পড়তে পারে।
ট্রাম্প ভারতকে বলেন, ‘এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ভারত ও রাশিয়ার মৃতপ্রায় অর্থনীতি একসঙ্গে ডুবে যাবে।’ এক সাংবাদিক জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘এখন মাত্র ৮ ঘণ্টা হয়েছে। এরপর অনেক কিছুই হবে। আপনি অনেক সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞা দেখতে চলেছেন।’