|
সাংবাদিক মোজাম্মেলকে হত্যার চেষ্টাকারী সফিক মেম্বার এখনো অধরা
উদ্ধার হয়নি ছিনিয়ে নেয়া মোবাইল ও নগদ টাকা
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() সাংবাদিক মোজাম্মেলকে হত্যার চেষ্টাকারী সফিক মেম্বার এখনো অধরা বরুড়া উপজেলার ভাউকসার ইউনিয়ন এর পরানপুরগামী রাস্তায় গত ২৩ জানুয়ারি বিকেল ৪ টার দিকে প্রকাশ্যে দিবালোকে অসংখ্য মানুষের সামনে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে, সফিক মেম্বার, তার ভাই সন্ত্রাসী মালেক, তার চাচা মাদকব্যবসায়ী আলী, হুন্ডি ব্যবসায়ী আমিন সহ ৫/৬ জন দেশীয় অস্ত্র ও লোহার পাইপ দিয়ে পিছন থেকে আক্রমণ করে। তারা সাংবাদিক মোজাম্মেলকে মাথায় পায়ে সমস্ত শরীরে এলোপাথাড়ি পিঠিয়ে হাত পা ভেংগে দিয়ে, শ্বাস রোধ করে হত্যা করার চেষ্টা করে। মারা গেছে ভেবে তারা রাস্তার পাশে ফেলে রাখে। মোজাম্মেলকে হসপিটালে নিতে চাইলে সোহারাব, শাহলম ও নিয়ামত নামের ৩ পথচারীকেও আঘাত করে। খবর শুনে গঠনাস্থলে ছুটে আসে সাংবাদিক মোজাম্মেল হকের বড় ভাই ব্যবসায়ী মোস্তাক আহমেদ শামীম। তিনি ঘটনার স্থলে ভিড় করা মানুষের সাহায্য নিয়ে হসপিটাল নেয়ার পথে, এলাকার চিহ্নিত মাদকব্যবসায়ী আলী, হুন্ডি ব্যবসায়ী আমিন ও সফিক মেম্বারের গুন্ডা বাহীনি দুইটি বাইক দিয়ে ধাওয়া করে বিজরা ভাউকসার রোডে শতশত মানুষের সামনে ২য় দফায় মৃত্যু নিশ্চিত করার চেষ্ঠা করে। সফিক মেম্বার মূমুর্ষ সাংবাদিক মোজাম্মেল হকের গলায় পা দিয়ে চেপে ধরে মেরে ফেলার চেষ্ঠা করেন। ছোট ভাইকে বাচানোর চেষ্টা করার অপরাধে বড় ভাই শামীম এর বাম হাত ভেংগে দেয়। প্রকাশ্যে জনসম্মুখে পকেট থেকে ২ টি মোবাইল ফোন, পকেটে থাকা টাকাসহ সকল কিছু হাতিয়ে নেয় ছেচড়া মালেক, ও আলি। পরে এলাকার শতাধিক বিক্ষুব্ধ মানুষের চেষ্ঠায় তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা সদর হসপিটাল চিকিৎসার জন্য নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে রেফার করেন। দুই ভাই হসপিটালে থাকা অবস্থায় সুবিচার পাবার আশায় স্থানীয় সাংসদ নাসিমূল আলম চৌধুরী নজরুলকে ঘটনাটি জানান এবং তিনি ও ঘটনার সুবিচারের আশ্বাস দেন। আহত দুই সহোদর কে হসপিটাল রেখে মা জোৎস্না মালেক বাদী হয়ে ২৫/০১/২০১৯ তারিখে বরুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এস আই মোহাম্মদ আলী তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে স্থানীয় আওয়ামীলীগ এর নেতাদের সাথে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন বলে মোজাম্মেল জানান। বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজম উদ্দিন শাহ নতুন সময়কে বলেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন। এর বেশী কিছু এখন বলতে পারছিনা। এরপরও অদৃশ্য কারনে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি বরুড়া থানা পুলিশ উদ্ধার হয়নি ছিনিয়ে নেয়া টাকা বা মোবাইল। গ্রেফতার হয়নি কোন আসামি। এদিকে সামাজিকতার দোহাই দেখিয়ে কেউ কেউ বাদীপক্ষকে বার বার আপোষ নিস্পত্তি করার জন্য চাপ দিয়ে যাচ্ছে। সাংবাদিক মোজাম্মেল সমগ্র দেশের সচেতন মহল ও সাংবাদিক ভাইদের বিশেষ সহযোগীতা কামনা করেন এবং দোয়া চান। তিনি বলেন, একজন সাংবাদিক নয় সাধারন মানুষ হিসেবে আইনানুগ সহযোগীতা পাওয়ার সুভাগ্য ও কি এই দুই সহোদর ভাই এর নেই?
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
