|
কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে থানার ওসির বিরুদ্ধে চাঁদা আদায়ের অভিযোগের ঘটনা তদন্তের নির্দেশ
এম এ আজিজ, কিশোরগঞ্জ
|
![]() কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে থানার ওসির বিরুদ্ধে চাঁদা আদায়ের অভিযোগের ঘটনা তদন্তের নির্দেশ আজ বুধবার বিকালে ঢাকা রেলওয়ে পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উক্ত ঘটনা গতকাল একাধিক মিডিয়াতে সংবাদ প্রকাশের বিষয়টি নজরে আসার পরই তিনি ১০ কার্যদিবসের মধ্যে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিযুষ চন্দ্র দাসকে নির্দেশ দেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিযুষ চন্দ্র দাস বলেন, অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ পেয়ে একটি চিঠি পেয়েছি। খুব দ্রæতই তদন্ত কার্যক্রম শুরু হবে। জানা যায়, কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে থানার আওতাধীন আঠারবাড়ি রেল স্টেশনের নিকটে উত্তর বনগাঁও এলাকায় অভিযোগকারী রতন মিয়া বসতবাড়ি অবস্থিত। আজ থেকে দশ বছর আগে রতন মিয়া রেলওয়ের সীমানা থেকে সাত ফুট দূরে নিজের মালিকানাধীন বসত বাড়ির চৌহদ্দিতে দুইটি রেন্ট্রি গাছ রোপন করেন। গাছ রোপনের উক্ত দশ বছরের মধ্যে রেল কর্তৃপক্ষের কেউ গাছ লাগানো নিয়ে কোন অভিযোগ করেনি। এ অবস্থায় রতন মিয়া গত ১৭ জুন মঙ্গলবার নতুন ঘর নির্মাণের প্রয়োজনে গাছ দুটি কেটে ফেলেন। পরদিন বুধবার কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে থানার দুইজন পুলিশ সদস্য বাড়িতে এসে রেলের জমিতে গাছ কাটার অভিযোগ এনে রতন ও তার পরিবারকে থানায় যেতে নির্দেশ দেন। সে মোতাবেক পরদিন বৃহস্পতিবার রতন মিয়া তার প্রতিবন্ধি স্ত্রী কমলা খাতুন এবং মেয়ের জামাই দীন ইসলামকে নিয়ে থানায় যান। থানায় যাওয়ার পর ওসি লিটন মিয়া তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ভয় দেখিয়ে জেল-জরিমানাসহ বিভিন্ন ধরণের হুমকি ও ভয়-ভীতি প্রদান করেন। এ সময় তাদেরকে পাঁচ ঘন্টা থানায় আটকে রাখা হয়। রতন মিয়া জানান, থানায় অবস্থানকালীন সময়ে মামলা থেকে অব্যাহতির শর্তে তাদের কাছে প্রাথমিকভাবে দশ হাজার টাকা উৎকোচ দাবী করেন ওসি লিটন মিয়া। কিন্তু রতন মিয়া টাকা দিতে অক্ষমতা প্রকাশ করে অনুনয়-বিনয় করলেও ওসি লিটন মিয়া তাদেরকে জেল হাজতে ঢুকানোর ভয় দেখান। এক পর্যায়ে রতন মিয়ার কাছে থাকা পাঁচ হাজার টাকা জোর পূর্বক আদায় করে পাঁচ ঘন্টা পর তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়। তবে ওসি লিটন মিয়া তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সম্পূর্ণ কাল্পনিক কাহিনী সৃষ্টি করে তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়েছে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
