|
গলাচিপায় এমএসআর টেন্ডার দূর্নীতির অভিযোগে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা
মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল, পটুয়াখালী
|
![]() গলাচিপায় এমএসআর টেন্ডার দূর্নীতির অভিযোগে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা এমএসআর দরপত্রে পিপিআর বহির্ভূত অনিয়ম ও দূর্নীতির আশ্রয় নেয়ায়, ন্যায় বিচার চেয়ে গত ২৫'শে মার্চ ২০২৫ ইং তারিখে মোকাম গলাচিপা সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানী মামলা করেছেন পটুয়াখালীর মেসার্স তাসিন ট্রেডিং কর্নার এর ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মোঃ মিজানুর রহমান। যার মামলা নম্বর ৪৯/২৫। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানাযায়, UHC/Gala/MSR/2024-25/352 নম্বর স্মারক এ ইংরেজি ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে গলাচিপা উপজেলার সরকারি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর, (MSR)এমএসআর দরপত্রে অতিরিক্ত ৬'টি গ্রুপে বিগত বছরের একক কার্যাদেশের অভিজ্ঞতার শর্ত'টি প্রোক্ত দুমকি, মির্জাগঞ্জ ও বাউফল সহ (৩) উপজেলার নাম দরপত্রে উল্লেখ না করে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে কিছু অসৎ ঠিকাদারের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আর্থিক লাভবান হওয়ার জন্য মনগড়া সিদ্ধান্ত নিয়ে "ক" তফসিল মূল্যায়ন না করে, দরপত্রে "খ" তফসিল অংশে বর্নিত ৬'টি গ্রুপে বেআইনী ভাবে একক কার্যাদেশের শর্ত'টি সংযুক্ত করেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মেজবাহ উদ্দিন। যা ৪০ পৃষ্ঠার মামলা নথিপত্র উল্লেখিত। এবিষয়ে মামলার বাদি মোঃ মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান,আমি ১৯৮৫ সাল থেকে ঠিকাদার হিসেবে পটুয়াখালী, গলাচিপা সহ বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে এমএসআর সামগ্রী বিতরণ করে আসছি। ২০২৪-২৫ সালের অর্থ বছরের গলাচিপা উপজেলা ৫০ শয্যা সরকারি হাসপাতালের এমএসআর( MSR) সামগ্রী দরপত্র আহ্বান এমনিতেই ১০ মাস বিলম্বে কার্যক্রম হয়েছ। স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মেজবাহ উদ্দিন নিজের স্বার্থে এলিবেন আওয়ারে তড়িঘড়ি করে অর্থ লোভে বিভিন্ন ঠিকাদারের যোগসাজশে পিজি-ত্রি বহির্ভূত গোল্ডেন টাচ ইন্টান্যাশানাল ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে পিপিআর বহির্ভূত 'ক' তফসিল বর্নিত দরপত্র আহ্বানে প্রথম শ্রেনীর ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা থাকলেও, তিনি তার মনগড়া ৬ টি কাল্পনিক তফসিল সংযুক্ত করে সর্বনিম্ন 'দর' দাতাকে একক সিদ্ধান্ত নিয়ে গোল্ডেন টাচ ইন্টান্যাশানাল ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ প্রক্রিয়া চুরান্ত করেন যা পিপিআর বহির্ভূত। আমি মনে করি, তার এই দরপত্রের কারণে হাসপাতালে রোগীদের সেবা, খাবার সরবরাহ নিন্মমানের এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিন্ম- মানের ঔষধ ও সার্জারীকাল প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করলে দেশের নাগরিকরা প্রকৃত স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন। এ বিষয়টি বিজ্ঞ আদালত আমলে নিয়ে চুরান্ত না হওয়া পর্যন্ত এবং কেন এমএসআর দরপত্র অবৈধ নয়? এবিষয়ে জবাব চেয়ে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ওয়ার্ক অর্ডার বিধি নিষেধ থাকলেও, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডাঃ মেজবাহ উদ্দিন ২০২৪-২৫ ইং অর্থ বছরের এমএসআর সামগ্রী বিতরণের অনুমতি স্বাক্ষর প্রদান করেন। যার ফলে কোর্ট অবমাননা করনে, বিজ্ঞ আদালত তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন। অন্যদিকে সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটিতে (বিপিপিএ) দপ্তরে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মেজবাহ উদ্দিন এর এমএসআর দরপত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন এমএসআর ঠিকাদার মোঃ কুদ্দুস মিয়া। বিভিন্ন সূত্রে জানাযায়, গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মেজবাহ উদ্দিন তিনি তার দূর্নীতি ধামাচাপা দিতে সিভিল সার্জন সহ বিভিন্ন উচ্চ মহলে জোর তদবীর চালাচ্ছেন বলে জানা যায়" এ -যেন "শস্যের ভিতরে ভূত " হাসপাতালের এমএসআর টেন্ডার দূর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে গলাচিপা উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা মোঃ মেজবাহ উদ্দিন এর মুঠোফোন একাধিক কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি, অবশেষে মোবাইলে ক্ষুুদে বার্তা পাঠালে, রিসিভ করে তিনি জানান, "এ নিয়ে খুব ঝামেলায় আছি, ১২ মে সোমবার কোর্টে হাজিরা আছে, তাই পরে কথা বলবেন। অন্যাদিকে পটুয়াখালী জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া এর অফিসিয়াল মোবাইলে একাধিক কল করেও তার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
