|
কুড়িগ্রামে ৯ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন, দোষীদের গ্রেফতারের দাবি
আহম্মেদুল কবির, কুড়িগ্রাম
|
![]() কুড়িগ্রামে ৯ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন, দোষীদের গ্রেফতারের দাবি গতকাল মঙ্গলবার এঘটনা মূহুর্তের মধ্যে সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে জেলার সর্বত্র প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। প্রত্যকে দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের গ্রেফতারের দাবি করছে। জানা যায়, কিশামত নাখেন্দা গ্রামের ওই ছাত্রীর ছোট বোন (৯) দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছে। চিকিৎসার জন্য ছাত্রীটির দাদি একটি গরু দেন। এ নিয়ে ছাত্রীটির দুঃসম্পর্কের এক দাদা আব্দুল কাদের তার বাবাকে গরুচোর সাব্যস্ত করে এবং চৌকিদার পাঠিয়ে তাঁকে হুমকি দেয়। গতকাল মঙ্গলবার বাবাকে চোর অপবাদের প্রতিবাদ করলে দাদা আব্দুল কাদের স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে প্রতিবাদের বিষয়টি জানালে চেয়ারম্যান তাৎক্ষণিক ছাত্রীটিকে গাছে বেঁধে রাখার নির্দেশ দেন। আব্দুল কাদের সাথে সাথে ছাত্রীটিকে তাদের বাড়ির উঠানেই গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন শুরু করে। নির্যাতনের শিকার ছাত্রী মোহনা জানায়, তার দুঃ সম্পর্কের দাদা আঃ কাদের তাকে রশি পেঁচিয়ে গাছে বেঁধে রাখে এবং শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করে। বেধড়ক মারধর করে তার হাঁটু, গলা ও পিঠে জখম করে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে রশি খুলে দিয়ে মোহনাকে উদ্ধার করে। মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুল কাদের বলেন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুসের নির্দেশে ওই কিশোরীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখেছি। এ বিষয়ে ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস বলেন, কিশোরীটি ভীষণ বেয়াদব। মেরে তার পিঠের চামড়া ছিলে দেওয়া উচিত ছিল। এ ধরনের শাস্তি দেওয়ার এখতিয়ার তার আছে কিনা জানতে চাইলে উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান তিনি। রাজারহাট থানার ওসি তছলিম উদ্দিন বলেন, মেয়েটিকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। অপরদিকে স্থানীয় ইউনিয়নবাসী মোয়েটির বাবাকে চোর সাজানের ঘটনায় মোহনার কথামতো আরও যারা ঘটনার সাথে জড়িত আছে তাদের প্রত্যেকে আইনের আওতায় আনার দাম জানিয়েছে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
