ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ১২ মে ২০২৬ ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩
সেতু নির্মাণের এক বছরেই সংযোগ সড়ক ধস, দ্রুত সংস্কার দাবি এলাকাবাসীর
মো. বাচ্চু ,রাঙ্গাবালী
প্রকাশ: Sunday, 16 February, 2025, 7:31 PM

সেতু নির্মাণের এক বছরেই সংযোগ সড়ক ধস, দ্রুত সংস্কার দাবি এলাকাবাসীর

সেতু নির্মাণের এক বছরেই সংযোগ সড়ক ধস, দ্রুত সংস্কার দাবি এলাকাবাসীর

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নে একটি সেতুতে ধসে পড়ছে সংযোগ সড়কও গাইডওয়াল।  ঐ কাজের কারণে এমনটা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। এলাকাবাসী বলছেন,ভারি বর্ষণের পর পরই ধসে পড়ে গাইডওয়াল সেই সাথে সংযোগ সড়কও ধরে ফাটল। দ্রুত সংস্কার দাবি এলাকাবাসীর। উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নে উত্তর চরমোন্তাজ ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান এম এ মতিনের বাড়ি সংলগ্ন খালের উপর ৬৬ মিটার সেতু ও ৩৫০ মিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু নির্মাণের এক বছরের মাথায় সেতুটির সংযোগ সড়ক ও গাইডওয়ালে ভারী বর্ষনের কারণে ধসে পড়ে। সেতু বরাবর গাইডওয়ালের গোড়ায় দেখা দিয়েছে ফাটল। যেকোন সময় পুরো গাইড ওয়াল ধসে পড়ে সেতুটি চরম হুমকির মুখে পড়তে পারে এমনটাই আশঙ্কা স্থানীয়দের। এছাড়াও ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় যানবাহনের। প্রতিদিন সেতুটি দিয়ে দুই পাড়ের শত শত মানুষের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। ঠিকাদারের নিম্নমানের কাজের কারণে এমনটাই হয়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর। স্থানীয়রা জানান, পুরো গাইডওয়াল জুড়েই এ ফাটল স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। আর এ ফাটলের কারণে গাইডওয়াল জুড়ে বসানো পিলারগুলোও নড়বড়ে হয়ে গেছে। ফলে এলাকাবাসী ও পথচারীদের মাঝে একধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। তাদের আশঙ্কা গাইডওয়াল ধসে পড়ে সেতুটিকে দুর্বল ও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে। 
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) রাঙ্গাবালী কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়ন-উপজেলা সংযোগ সড়কের অনূর্ধ্ব ১০০ মিটার ব্রিজ প্রকল্পের আওতায় চরমোন্তাজ ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান এম এ মতিনের বাড়ি সংলগ্ন খালের ওপর ৬৬ মিটার সেতু ও ৩৫০ মিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে সাড়ে ৬ কোটি টাকা। কিন্তু বছর না যেতেই ধসে পড়ে সংযোগ সড়ক গাইডওয়াল। 
চরমোন্তাজ ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা বাহাদুর ইসলাম বলেন, ভরী বর্ষণের কারণে সেতুর সংযোগ সড়কও গাইডওয়াল ভেঙে পড়ছে। কাজ করার ৬-৭ মাস পরই ধসে পড়ে সেতুটির সংযোগ সড়কও গাইডওয়াল। ঠিকাদারের নিম্ন মানের কাজের কারণে এমনটা হয়েছে। যদি দ্রুত কাজ না করা তাহলে সেতুটি চলাচল করতে ঝুঁকি আরও বাড়বে। তবে দ্রুত সংস্কার করার দাবি তাদের।
স্থানীয় ইজিবাইক চালক মোঃ সলেমান বলেন, সেতুটি করার এক বছরও যেতে পারে নাই। এর আগেই সংযোগ সড়ক বৃষ্টিতে ভেঙে পড়েছে। ঠিকাদারের নিম্ন মানের কাজের কারণে এমনটা হয়েছে। এখন আমাদের ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হয় এই সেতু দিয়ে। আমাদের দাবি যত দ্রুত সম্ভব সেতুটির সংযোগ সড়ক ও গাইডওয়াল কাজটি সংস্কার করা হয়। এখন কাজটি না করলে আবার বর্ষা আসতেছে তখন পুরো রাস্তা আর সেতুর কিছুই থাকবে নাহ। তখন মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে। 
ঠিকাদার মো.জামাল হোসেনের সাথে যোগাযোগের জন্য তার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তার সাথে যোগাযোগ করা যায়নি।(01712-285517)
এ ব্যাপারে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ইতিমধ্যে ঠিকাদারের সাথে কথা হয়েছে।এছাড়াও ঠিকাদার জামানত কাজ সম্পূর্ণ শেষ করার পর দেওয়া হবে। আর যত দ্রুত সম্ভব কাজটি সংস্কার করা হবে বলে আশা করি।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status