|
বগুড়ার শেরপুর পৌর বাস টার্মিনাল কাগজে আছে, বাস্তবে শুধুই ইজারা!
দীপক কুমার সরকার, বগুড়া
|
![]() বগুড়ার শেরপুর পৌর বাস টার্মিনাল কাগজে আছে, বাস্তবে শুধুই ইজারা! বগুড়া জেলা বাস মিনিবাস ও কোচ পরিবহণ মালিক সমিতি সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন,“ শেরপুরে পৌরসভার কোন বাস টার্মিনাল নেই। আমরা মালিকেরা প্রতি মাসে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে টার্মিনালের জন্য ভাড়া নিয়েছি। কিন্তু আমাদের বাসগুলো থেকে অবৈধভাবে চাঁদা নেওয়া হচ্ছে।” বগুড়া জেলা ট্রাক ট্যাংকলরী ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শিরু বলেন, শেরপুরে প্রকৃতপক্ষে কোন ট্রাক টার্মিনাল নেই। আগে যেখানে টার্মিনাল ছিলো বহু আগে দোকান করে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। আমরা মহাসড়কের পাশে ট্রাক রাখছি। তাই প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রাকগুলোর কোন নিরাপত্তা নেই। পৌরসভার কাছ থেকে আমরা কোন সেবা পাচ্ছি না। অথচ মহাসড়ক থেকে পৌর টোলের নামে চাঁদা তোলা হচ্ছে। এদিকে গত ৭ জানুয়ারি সিএনজি ও ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা চালকরা টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। তারা কয়েক দফায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক অবরোধ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছেন বলে জানা যায়। বিক্ষুব্ধ ব্যাটারী চালিত অটো রিকশাচালক রইচ উদ্দিন প্রামানিক বলেন, আমাদের সাথে আগের মতোই জুলুম শুরু হয়েছে। ৫ আগস্টের পরে বন্ধ হলেও শহরের বিভিন্ন সড়কে ও মহাসড়কে রিকশা থামিয়ে ১০ থেকে ২০ করে টাকানেওয়া হচ্ছে। টাকা না দিলে চাবি কেড়ে নেয়, ছবি তুলে কোন এক নেতাকে পাঠায়। পরে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এসব বন্ধ না হলে আমরা আন্দোলন অব্যাহত রাখবো। রিকশা চালক আনিছুর রহমান বলেন, বিগত সরকারের মতো আবাও পৌরসভার টোলের নামে চাঁদা নেওয়া হচ্ছে। টাকা না দিলে চাবি কেড়ে নেওয়া হয়। এ বিষয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপদেষ্টা ইয়াছিন আলী হিমেল বলেন, শেরপুরে পৌরসভার কোন টার্মিনাল বা স্ট্যান্ড নেই। পৌরকর্তৃপক্ষ আয় বাড়ানোর নামে প্রকৃতপক্ষে সড়ক ও মহাসড়ক ইজারা দিয়েছে। এসব বন্ধ করা দরকার। তবে টার্মিনাল না থাকার কথা স্বীকার করে শেরপুর নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. আশিক খান বলেন, ‘টার্মিনাল না থাকলেও পৌরসভার রাজস্ব আয়ের জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছে। তবে মহাসড়ক থেকে টোল আদায় না করার জন্য ইজারাদারদের বলা হয়েছে।’ টোল আদায় করা নিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকদের অসন্তোষের বিষয়ে পৌর প্রশাসক বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা ইজারাদার, শ্রমিক সংগঠন ও অটোরিকশাচালকদের সঙ্গে যৌথভাবে আলোচনা করেছি। তাঁরা ঐকমত্যে না আসা পর্যন্ত টোল আদায় বন্ধ আছে। তাঁরা সমঝোতায় আসতে না পারলে প্রয়োজনে ইজারা বাতিল করা হবে।’ |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
অল্প বৃষ্টিতে পানিতে সয়লাব খড়িয়া কাজিচর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র
পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার নতুন দিগন্ত : ব্যারিস্টার কাজী ইসতিয়াক হোসাইন জিসান
অর্থাভাবে চিকিৎসা থমকে ছিল, ভানু চন্দ্রের পাশে উপজেলা প্রশাসন
সোনারগাঁওয়ে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত
