|
ভোটের আগে বৈঠকে বসছে হেফাজত
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ভোটের আগে বৈঠকে বসছে হেফাজত সম্ভাব্য বৈঠকের বিষয়ে মঙ্গলবার রাত সোয়া ১১টার দিকে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব সাজিদুর রহমান বলেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে মহাসমাবেশ স্থগিত করা হয়। পরবর্তী কর্মসূচি ঠিক করতে আমরা নির্বাচনের আগেই বৈঠকে বসতে পারি। এই বৈঠকেই পরবর্তী কর্মসূচি কী হবে এবং কখন হবে তা ঠিক করা হবে।’ ২৯ ডিসেম্বর মহাসমাবেশ স্থগিত করা প্রসঙ্গে সাজিদুর রহমান বলেন, ‘মহাসমাবেশ নিয়ে আমরা বৈঠকে বসেছিলাম। সেই বৈঠকে সকলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক মহাসমাবেশ স্থগিত করা হয়। একক কোনো সিদ্ধান্তে কিছু করা হয়নি।’ যদিও মঙ্গলবার দুপুরে গনমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে হেফাজতের একাধিক নেতা বলেন, ‘মহাসচিব একক সিদ্ধান্তে মহাসমাবেশ স্থগিত করেছেন। তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি।’ এর আগে মঙ্গলবার হঠাৎ করে পূর্ব নির্ধারিত মহাসমাবেশ স্থগিত করে গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এতে বলা হয়, হেফাজতে ইসলামের নীতিনির্ধারণী ফোরামের মুরুব্বিরা (শীর্ষ নেতারা) দেশের চলমান সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে মহাসমাবেশ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ নীতিনির্ধারণী ফোরাম দ্রুত সময়ের মধ্যে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে। হেফাজত সূত্র জানায়, সারা দেশে অন্তত ২৫৩টা মামলায় হেফাজত ইসলামের সাত হাজারের বেশি নেতাকর্মী এজহারভুক্ত আসামি। একাধিক মামলায় বিচারপ্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। বর্তমানে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা মাওলানা মামুনুল হক, মুনির হোসেন কাসেমী, নূর হোসাইন নূরানী কারাবন্দি। গত মাসে কারামুক্ত হয়েছেন হেফাজত নেতা রফিকুল ইসলাম মাদানী। প্রসঙ্গত, ৮ ডিসেম্বর ঢাকার বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকে হেফাজতে ইসলামের নেতা মাওলানা মামুনুল হকসহ কারাবন্দি নেতাকর্মীদের মুক্তি, ২০১৩ সাল থেকে এ পর্যন্ত হেফাজতের নেতাকর্মীদের নামে হওয়া সব মামলা প্রত্যাহার এবং জাতীয় শিক্ষা কারিকুলাম থেকে ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক সব বিষয় বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেই সমাবেশ থেকে ২৯ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দেয় হেফাজতে ইসলাম। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
