|
ডেপুটি অ্যাটর্নি এমরান সম্পর্কে আরো যা যা জানা যাচ্ছে
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() ডেপুটি অ্যাটর্নি এমরান সম্পর্কে আরো যা যা জানা যাচ্ছে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া। সে সময় তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন। ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্টে প্র্যাক্টিসের অনুমতি পান এমরান এবং ২০০৫ সালের ২১ জুলাই সদস্যপদ লাভ করেন। এরপর ২০১৮ সালের ৪ জানুয়ারি তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ পান। একজন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠজনের সুপারিশে তিনি নিয়োগ পান বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে, সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আদালত প্রাঙ্গণে গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া বলেন, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস একজন সম্মানিত ব্যক্তি, তিনি বিচারিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে আমি মনে করি। তিনি আরও বলেন, ড. ইউনূসের পক্ষে ১৬০ জন বিদেশি ব্যক্তি বিবৃতি দিয়েছেন। তাদের মধ্যে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, হিলারি ক্লিনটনও রয়েছেন। ওই বিবৃতির বিরুদ্ধে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় থেকে প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দেওয়ার কথা রয়েছে। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি ড. ইউনূসের বিপক্ষে বিবৃতিতে স্বাক্ষর করব না। এ ছাড়া ড. ইউনূসের পক্ষে বিদেশিরা যে বিবৃতি দিয়েছেন, আমি তাদের সঙ্গে একমত। তার এই বক্তব্যকে ঘিরে সারাদেশব্যাপী আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। অনুমতি ছাড়া গণমাধ্যমে বক্তব্য দিয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান আহম্মদ শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন বলে জানান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, তার (এমরান আহম্মদ) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন ডিএজি (ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল)। তিনি যদি সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন, তাহলে তাকে হয় পদত্যাগ করে কথা বলা উচিত অথবা অ্যাটর্নি জেনারেলের অনুমতি নিয়ে কথা বলা উচিত। তিনি সেটি করেননি। তিনি শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। এ ছাড়া এমরান আহম্মদের মন্তব্য মেনে নিতে না পেরে মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় থেকে তার নামে থাকা নেমপ্লেট খুলে ফেলেছেন আরেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম ফজলুল হক। অন্যদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেছেন, সর্বোচ্চ আদালত দুই দফায় বলেছেন, ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা চলতে বাধা নেই। তাহলে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একজন আইনজীবী হিসেবে কীভাবে এমন কথা বলেন। তিনি তো সুপ্রিম কোর্টের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিতে পারেন না। তিনি অন্য কোনো উদ্দেশ্যেই এমন বক্তব্য দিয়েছেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি বারাক ওবামা ও হিলারি ক্লিনটনসহ বিশ্বের ১৬০ জন ব্যক্তি ড. ইউনূসের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটি খোলাচিঠি দিয়েছেন। ১০০ জনের বেশি নোবেলজয়ীর দেওয়া ওই চিঠিতে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে হওয়া মামলার বিচারকাজ স্থগিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে চিঠিতে বিগত দুটি নির্বাচনের বৈধতার সংকট ছিল জানিয়ে সামনের নির্বাচনের দিকে তাদের নজর রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এই চিঠির প্রতিবাদ জানিয়ে গত কয়েক দিনে পাল্টা বিবৃতি দিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট নাগরিক, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবীসহ দেশের ৫০ জন সম্পাদক।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
কুড়িগ্রামে বাণিজ্য মেলা বাতিলের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
বিয়ের আশ্বাসে শারীরিক সম্পর্ক, ৪৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে
কিশোরগঞ্জের অষ্ট্রগ্রামে কবরস্থানের ওপর বিএনপির কার্যালয় নির্মাণের অভিযোগ বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে
কুড়িগ্রামের দুধকুমার নদের ভাঙ্গন প্রতিরোধের দাবিতে ফুসে উঠেছে এলাকাবাসী
