|
বিদেশে টাকা পাচারের শীর্ষে দুই খান!
নতুন সময় প্রতিবেদন
|
![]() তাসকিন খান ও খান সাইফুর রহমান খান সাইফুর রহমান। জন স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন প্রায় ৮ বছর। ৭ জন সিনিয়রকে ডিঙ্গিয়ে সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়র মোশারফ হোসেন কে ম্যানেজ করে তার মিশন শুরু হয়। দুদকের তালিকাভূক্ত দুর্নীতিবাজ হিসেবে তদন্তের মুখোমুখি হন। রহস্যজনকভাবে আবার থেমে যায় তদন্ত। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অভিদপ্তরকে একটি দুর্নীতি, অনিয়মের স্বর্গরাজ্যে পরিনত করেন তিনি। স্ত্রী-ছেলে-মেয়েদের পাঠিয়ে দেন বেগম পাড়ায়। তাসকিন খানের পথ অনুসরন করে তিনিও বিদেশে একাধিক বাড়ীর মালিক। গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ চাকরীর মেয়াদ শেষ হলেও চুক্তিভিক্তিক নিয়োগের চেষ্টা চালান। কিন্তু সফল হতে পারেননি। ১ জানুয়ারী ২০২৩ থেকে অবসরে গেলেও বিদায় সংবর্ধনা নিতে যাননি কাকরাইলস্থ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কার্যালয়ে। কী এমন আতংক ও শংকা যার কারনে তিনি দীর্ঘ দিনের সহকর্মীদের মুখোমুুখি হতে নারাজ? ঢাকা শহরের কোথাও তাকে দেখা যাচ্ছে না। মোবাইল ফোনেও পাওয়া যাচ্ছে না। অনেকের মতে গ্রেফতারের ভয়ে ইতিমধ্যে বিদেশে পালিয়ে গেছেন তিনি। উল্লেখ্য, এই দুই খানের দুর্নীতি, অনিয়ম ও অরাজকতার কারনে সরকার তথা এলজিআরডি মন্ত্রনালয়ের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। বিদেশে টাকা পাচাঁরের র্শীষ তালিকায় এদের নাম অর্ন্তভূক্তের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
