দেশের গুণী ৮৫ ক্রীড়া ব্যক্তিত্বকে দেওয়া হয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পুরষ্কার। ২০১৩ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত আট বছরের জন্য ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে তাদেরকে। এদের মধ্যে ৩৯ জন ক্রীড়া সংগঠকও রয়েছেন।
বুধবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে উপস্থিত থেকে এ পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেকে পাবেন একটি ১৮ ক্যারেট মানের ২৫ গ্রাম ওজনের স্বর্ণপদক, এক লাখ টাকার চেক এবং একটি সম্মাননাপত্র।
জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ২০১৩ সালের জন্য ৪৯টি, ২০১৪ সালের জন্য ৫৩টি, ২০১৫ সালের জন্য ৩০টি, ২০১৬ সালের জন্য ৩৩টি, ২০১৭ সালের জন্য ৩৯টি এবং ২০১৮ সালের জন্য ৫৮টি, ২০১৯ ও ২০২০ সালের জন্য ৭৮টিসহ মোট ৩৪০ জন ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক আবেদন পত্র জমা দেন।
সেখান থেকেই তথ্য যাচাই বাছাইয়ের জন্য মন্ত্রণালয় মোট তিনটি কমিটি গঠন করে। যাচাই-বাছাই শেষে সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করে তারা। তালিকাটি জাতীয় বাছাই কমিটির কাছে পাঠানো হয়।
জাতীয় বাছাই কমিটি ২০১৩ সালের জন্য ১১ জন, ২০১৪ সালের জন্য ১০ জন, ২০১৫ সালের জন্য ১১ জন, ২০১৬ সালের জন্য ১৩ জন, ২০১৭ সালের জন্য ১১ জন, ২০১৮ সালের জন্য ১০ জন, ২০১৯ সালের জন্য ১১ জন এবং ২০২০ সালের জন্য আট জনসহ সর্বমোট ৮৫ জন ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠককে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার দেওয়ার সুপারিশ করে।
যারা পুরস্কৃত ২০২০ সাল (আট জন): মুক্তিযোদ্ধা শহীদ লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল (মরণোত্তর) খেলোয়াড় ও সংগঠক, মুক্তিযোদ্ধা আফজালুর রহমান সিনহা (মরণোত্তর) সংগঠক (ক্রিকেট), নাজমুল আবেদীন ফাহিম- সংগঠক (ক্রিকেট কোচ), মো. মহসীন- খেলোয়াড় (ফুটবল), মো. মাহাবুবুল এহছান রানা- খেলোয়াড় (হকি), গ্র্যান্ডমাস্টার মোল্লা আব্দুল্লাহ আল রাকিব- খেলোয়াড় (দাবা), বেগম মোছা: নিলুফা ইয়াসমিন- খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স), আব্দুল কাদের স্বরণ- খেলোয়াড় (ব্যাডমিন্টন-বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী)।