|
সিরাজগঞ্জে দূর্গার প্রতিমা তৈরির ব্যস্ততায় দিন কাটাচ্ছে
আজিজুর রহমান মুন্না, সিরাজগঞ্জ
|
![]() সিরাজগঞ্জে দূর্গার প্রতিমা তৈরির ব্যস্ততায় দিন কাটাচ্ছে আর ক’দিন বাদেই ভক্তদের আশা আকাঙ্খা পূরণ করতে শান্তির বার্তা নিয়ে মর্ত্যলোকে আসছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দেবী দুর্গা। দেবী দুর্গার যে অবয়বে ভক্তির মাধ্যমে দেবীর মন জয়ের প্রার্থনা করবেন ভক্তরা সেই অবয়ব বা প্রতিমা তৈরির কাজে নিয়োজিত সিরাজগঞ্জের প্রতিমা কারিগরেরা। জানা গেছে, মান ভালো হওয়ায় এ জেলার কারিগরদের তৈরি প্রতিমায় জেলার সকল পূজা মন্ডবের পূজা অনুষ্ঠিত হওয়ার পাশাপাশি পাশের পাবনা, নাটোর ও বগুড়া জেলার পূজামন্ডপগুলোতেও যাবে এখানে তৈরি দুর্গা প্রতিমা। অধিকাংশ প্রতিমারই প্রতিকৃতি তৈরী হয়ে গেছে, এখন অপেক্ষা শুধু রং আর তুলির আঁচড়ের। তবে নিপুণ হাতের ছোঁয়া আর কঠোর পরিশ্রম করে যারা তৈরী করছেন প্রতিমা, তাদের অনেকেই আজ মুখে আলো নেই, মনে সুখ নেই। কারণ হিসেবে তারা জানান, প্রতিমা তৈরির অন্যতম উপকরণ মাটি, কাঠ, খড়, বাঁশ, লোহা ও রংসহ সকল পণ্যের মূল্য যে হারে বেড়েছে সে হারে বাড়েনি প্রতিমার দাম বা মজুরী। তার উপরে করোনার অযুহাতে অনেকটাই কম প্রতিমার দাম। এবার বড় প্রতিমা ৭০-৮০ হাজার ও ছোট প্রতিমা বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ হাজার টাকায়। ফলে লাভ হবে না কারিগরদের, তারপরও ধর্মীয় আবেগ ও পেশার প্রতিশ্রুতির কারণে বছরের পর বছর প্রতিমা তৈরি করছেন তারা।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দূর্গা পূজার প্রতিমা তৈরির কাজে নিয়োজিত কারিগরদের নায্য মজুরি নিশ্চিতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। প্রতিমা কারিগর শ্রীকান্ত পাল বলেন, পালপাড়াতে প্রতিমা তৈরির ধুম পড়েছে। প্রতিটি বাড়িতেই তৈরি করা হচ্ছে একাধিক দুর্গা প্রতিমা। কারিগরেরা রাত-দিন প্রায় ১৬ থেকে ১৮ ঘন্টা কাজ করছেন অর্ডার নেয়া প্রতিমা তৈরির কাজ সময়মতো শেষ করতে। প্রতিমা কারিগর লক্ষ্মী পাল জানান, পালবাড়ির পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও সমানভাবে কাজ করছে। তাদের দেবী মাকে সাঁজাতে শত ব্যস্ততায়ও যত্ন সহকারে কাজ করা হচ্ছে। প্রতিমা কারিগর নারায়ণ পাল বলেন, ৫০ বছর ধরে আমরা প্রতিমা তৈরি করি। এখন প্রতিমা তৈরি করে আর লাভ হয় না, যে হারে উপকরণের দাম বেড়েছে, সেই হারে প্রতিমার দাম বাড়েনি। তারপরও পৈত্রিক পেশা আঁকড়ে ধরে আছি। সিরাজগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি সন্তোষ কুমার কানু বলেন, চলতি বছর দেবীদুর্গা ধরাধামে আসছেন ঘোড়ায় চড়ে, যাবেন দোলায় চেপে, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতে এটি অশুভ লক্ষণ। ফলে এবার জেলার ৪৮৭টি মন্ডপের পাশাপাশি বিভিন্ন বাড়িতেও দেবী মায়ের সন্তানরা আরাধনা করবেন তার আশিষ পেতে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
নাঙ্গলকোটে মধ্য বয়সী এক লম্পটের বিরুদ্ধে মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ
আলফাডাঙ্গায় ২৮ জুন ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন: সফল করতে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
স্মার্টফোন বিস্ফোরণে আতঙ্ক, টঙ্গীতে ভিভো ফোনে অল্পের জন্য রক্ষা পেল পরিবার
