|
কালীগঞ্জে মুনিশের সংগ্রামী জীবন, ভ্যানের চাকায় ঘুরছে সংসার
এম সহিদুল ইসলাম, কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট)
|
![]() কালীগঞ্জে মুনিশের সংগ্রামী জীবন, ভ্যানের চাকায় ঘুরছে সংসার সেই বয়সে দারিদ্রতার কাছে হার মেনে প্রতিদিন ভ্যানের প্যাডেল ঘুরিয়ে নিজের ও পরিবারের অন্ন যোগাতে হয়।এই বৃদ্ধ বয়সে ভ্যান চালতে চাইলেও চালাতে পারে না মুনিশ। কিন্তু আধুনিকতায়ও ফাটল ধরেছে মুনিশ চন্দ্রর জীবনে।যুগের পরিবর্তন হলেও,আর্থিক অসচ্ছলতার কারনে বদলায়নি মুনিশ এর জীবনে। ফলে যুগোপযোগী ভ্যান না থাকায় কচ্ছপ গতির পায়ে চালিত গাড়ীতে কয়েকজন শখ করে ছাড়া কেউ উঠেনা। তার বাড়ি মদাতী ইউনিয়ন এর তালুক শাখাতী গ্রামে। তার পিতার নাম মহেশ চন্দ্র রায়। তার সাথে কথা বলে জানা যায়, সে কালীগঞ্জ উপজেলাধীন চামটাহাট এলাকার বিভিন্ন রাস্তায় ভ্যান চালান। দিনে একশত থেকে দেড়শত টাকা আয় করেন তিনি।এদিয়ে ৫ সদস্যের সংস্যার চালিয়ে নিতে হয় মুনিশকে।তিনি বলেন প্রতিদিন ভ্যান চালাতে পারিনা,বৃদ্ধ বয়সে কখনও অসুস্থ থাকি কখনও আবহওয়া খারাপ থাকে আবার কোনো দিন ভাড়ায় হয়না। আধুনিক যুগে সব ক্ষেত্রেই তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তির ছোয়া লেগেছে।আর তার প্রভাব পড়েছে রিক্সা বা ভ্যান গাড়িতেও। বর্তমানে এলাকার সব ভ্যান গাড়িতেই মটর লাগানো।ফলে ভ্যান চালকের তেমন কষ্ট হয়না,কম সময়ে বেশি ভাড়া মারা যায়।এখন মানুষ সময়ের দাম দিতে শিখেছে তাই সবাই অটো ভ্যানে যাতাযাত করে, মালামাল বহন করে।কিন্তু দারিদ্রতার অভিশাপের অভিশাপ্ত হয়ে অর্থের অভাবে এখনও ভ্যানে মটর লাগাতে পারিনী।ফলে সাধারন জনগন আমার ভ্যানে উঠতে চায় না বা মালামাল বহন করে নিতে চায় না। মুনিশ বলেন, যদি স্থানীয় কোনো প্রভাবশালী বা জেলা প্রশাসক বা ইউএনও সহ কেউ যদি আর্থিক সাহায্য করত তাহলে ভ্যানে মটর লাগিয়ে। এই বৃদ্ধ বয়সে ভ্যান চালিয়ে জীবন যুদ্ধ চালিয়ে নিতাম। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
