ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ২৬ জুন ২০২৬ ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
মধুখালী সানজিদা ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের রমরমা বাণিজ্য
রোগী হয়রানি চরমে মানেন না নিয়মকানুন
মোঃ আলমাস আলী, ফরিদপুর
প্রকাশ: Thursday, 1 July, 2021, 12:33 PM

মধুখালী সানজিদা ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের রমরমা বাণিজ্য

মধুখালী সানজিদা ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের রমরমা বাণিজ্য

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলা হাসপাতালের সামনেই হঠ্যাৎ গজিয়ে ওঠা সানজিতা প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারটি বিধি মোতাবেক চলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। প্যাথলজিষ্ট, এক্্ররে টেকনেশিয়ান,জরুরী বিভাগের ডাক্তার ছাড়াই চলছে হাসপাতালের কার্যক্রম। এ অভিযোগ স্থানীয় ভোক্তভোগীদের।

অনুসন্ধানকালে জানা য়ার, সানজিদা ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের লাইসেন্স  নবায়ন না করেই তাদের কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। তাদের নারকোটিকস লাইসেন্স করা নাই। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র  নেই। সানজিদা ক্লিনিক সরকারী কোন নিয়মকানুন মানেন না। মধুখালী উপজেলা হাসপাতালের ঠিক সামনেই মাত্র ১০০ গজ দুরাত্বে  সানজিদা ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারটি সম্পূর্ন বিধি বর্হিভূতভাবে তাদের কর্মকান্ড পরিচালনা করছে মর্মে উপস্থিত লোকজন অভিযোগ করেন।

এই প্রতিষ্টানটি মোমিন হোসেন ও তার সুমি নামের স্ত্রী,  তিনারা কাউকে পরোয়া না করেই অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টার পরিচালনা করছেন। তাদের সাথে আলাপকালে জানা গেছে, তারা নারকোটিকস লাইসেন্স কি তা জানেন না। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র প্রয়োজন হয কিন্ত তার জন্য তাদের কোন প্রচেষ্টা নাই। এই প্রতিষ্টানটি তাদের মর্জি মাফিক অর্থ আদায় করেন। মানসম্মত পরিবেশ বা সেবা প্রাদন না করেও তারা অঢেল মুনাফা করছে মর্মে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। ক্লিনিকটির প্রায়োজনীয় লোকবল নাই বলেও প্রমান পাওয়া গেছে।

গত ৩০/০৬/২১ইং তারিখ সরেজমিনে সানজিদা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের গিয়ে দেখা যায়, বেশকয়েকজন মহিলা রোগী বারান্দায় বসে আছেন। হাসপাতালের ভিতর-বাহিরে পিয়ন নূর নাহার নামের ঐ মহিলা ছাড়া  কোন ষ্টাফ নেই। সুমি ম্যাডাম ও মোমিন হোসেন  বাহিরে গেছেন বলে তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান। বেশকিছু সময় অপেক্ষা করার পরও কারো দেখা মেলেনি। বিধি বর্হিভূতভাবে ক্লিনিক পরিচালনার বিষয় নিয়ে মোমিন হোসেনের নিকট তার মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি সকল অনিয়মের কথা স্বীকার করে বলেন, উপজেলা পর্যায়ে কোন ক্লিনিক সরকারী বিধি মোতাবেক হাসপাতাল পরিচালনা করতে পারবেন না। আমিও পারিনাই।

সানজিদা হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়োগপ্রাপ্ত কোন এমবিবিএস ডাক্তার নেই, ৩ জন চিকিৎসক ও নিয়োগপ্রাপ্ত কোন নার্স তার ক্লিনিকে নেই। ১০ বেডের ক্লিনিক তিনি ১০/১৫ বছর যাবত পরিচালনা করছেন। এ ব্যাপারে ফরিদপুর সিভিল সার্জন সিদ্দিকুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ক্লিনিকটির অবস্থা এমনটি হওয়া উচিত ছিলনা, বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন বলে জানায়। মধুখালী সরকারী হাসপাতালের চিকিৎসক দিয়েই তিনি তার ক্লিনিক পরিচালনা করেন, প্রয়োজনীয় সময়ে কল করা হয়, সরকারী ডাক্তারদের উপর তিনি নির্ভরশীল, তবে সকল ক্লিনিকের তুলনায় তার ক্লিনিকেই বেশী জিজার হয়ে থাকে বলেমোমিন হোসেন দাবী করেন।            

 

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status