রাজধানীর রমনা থানার নিউ ইস্কাটনের একটি বাসা থেকে সুপ্রিয়া কর্মকার (৩৫) নামে এক নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৭ মে) দুপুরে নিউ ইস্কাটন রোডের ১১২ নম্বর বাসার পঞ্চম তলা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে রমনা থানা পুলিশ।
পুলিশের ধারণা, তিনি রাতের কোনও একসময় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।
ভোলার লালমোহন উপজেলার কর্তারহাট গ্রামের সুধীর কর্মকারের মেয়ে সুপ্রিয়া কর্মকার। তিনি ১১২ নম্বর নিউ ইস্কাটন রোড এলাকার ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন।
রমনা থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নারায়ণ সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে দুপুরের দিকে এক নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এসআই জানান, খুব চাপা স্বভাবের ছিলেন সু্প্রিয়া। পড়াশুনা নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। পরিবারের লোকজনও তার গলায় ফাঁস দেওয়ার কারণ জানাতে পারেননি।
এসআই আরো জানান, সুপ্রিয়ার বাবা সুধির কর্মকার ও মা পান্না কর্মকার চট্টগ্রামে থাকেন। সুপ্রিয়ারা এক ভাই এক বোন।
বাসায় সুপ্রিয়া কর্মকারের ছোট ভাই সুতনু কর্মকার ছিলেন। তিনি জানান, ‘রোববার রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে রাত সাড়ে দশটায় তার কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন সুপ্রিয়া। সোমবার বেলা এগারোটা পর্যন্ত যখন ঘুম থেকে না ওঠায় তাকে অনেক ডাকাডাকি করি। কিন্তু কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে, দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে দেখি, তিনি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গালায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলে আছেন। পরে পুলিশকে খবর দিলে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন সে বিষয়ে কিছু বলতে পারব না।’
তিনি আরও জানান, সুপ্রিয়া কর্মকার বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) এফসিপিএস কোর্স করছিলেন তিনি।