যুক্তরাজ্য ফেরত যাত্রীদের ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনের জন্য সাতটি আবাসিক হোটেল নির্ধারণ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নির্ধারিত হোটেল সাতটি হলো- রাজধানীর বনানীর অমনি রেসিডেন্স, নিকুঞ্জ-২-এর বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস মায়া, হোটেল গ্রেস-২১, উত্তরা সেক্টর-১ এর হোটেল এফোর্ড ইন, সেক্টর-৯ এর হোয়াইট প্যালেস হোটেল, সেক্টর-৩ এর মেরিনো রয়েল হোটেল এবং মেমেন্টো হোটেল।
বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১-এর অধিদফতর থেকে উপসচিব মোহাম্মদ রোকন উদ্দিন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক চিঠি বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, যুক্তরাজ্যে শনাক্তকৃত নতুন উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন দ্রুত সংক্রমণশীল করোনাভাইরাসের স্ট্রেইন শনাক্ত হওয়ার প্রেক্ষিতে সারাবিশ্বের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের যোগাযোগ বিছিন্ন করা হয়। বাংলাদেশে যাতে এ ভাইরাসের সংক্রমণ না ঘটে সে জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৮ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত অনুশাসন দেন। তার প্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্য ফেরত যাত্রীদের নিজ খরচে হোটেলে অবস্থানের জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতরের মাধ্যমে ওই সাতটি হোটেল নির্ধারণ করা হয়।
এদিকে ২৯ ডিসেম্বর এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
সার্কুলারে বেবিচক জানায়, প্রত্যেক যাত্রীর করোনা নেগেটিভ সনদ নিয়ে বাংলাদেশে আসা বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি ৩১ ডিসেম্বর রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশে আগত সব যাত্রীকে বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।
যুক্তরাজ্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এ ছাড়া কাতার এয়ারওয়েজ, টার্কিশ এয়ারলাইন্স, এমিরেটসসহ আরও কয়েকটি এয়ারলাইন্স যুক্তরাজ্য থেকে ঢাকায় যাত্রী নিয়ে আসে।