নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় শিশু আরাফাত হত্যা মামলা ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া প্রধান আসামি রিপন মিয়াকে চারদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।
বুধবার সকালে মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সময়ে পুলিশের সাতদিনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আসামির চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন নারায়ণগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা ফেরদৌস।
বন্দর থানার এসআই সিরাজদৌল্লাহ জানান, ওই উপজেলার লাউসার গ্রামের মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার মো. রফিকুল ইসলাম মনার ছেলে আরাফাতকে ১৫ ডিসেম্বর রাতে বাড়ি পাশের একটি স্কুলের মাঠে ব্যাডমিন্টন খেলতে নিয়ে যায় রিপন মিয়াসহ কয়েকজন। সেখানে প্রথমে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে দেয়। পরে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে লাশ বাড়ির পাশের পুকুরে ফেলে দেয়। ১৮ ডিসেম্বর সকালে পুকুরে লাশ ভাসতে দেখে গ্রামবাসী। এ ঘটনায় ২০ ডিসেম্বর রাতে একই এলাকার রিপন ও রাব্বিকে আসামি করে মামলা করেন নিহত আরাফাতের মা রিনজু বেগম।
রিনজু বেগম বলেন, তার চাচাতো দেবর জহিরুল ইসলাম কুয়েতে থাকেন। এই সুযোগে তার স্ত্রী রিপনের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হলে তাদের সাবধান করেন আরাফাতের বাবা মনা মেম্বার। দুই মাস আগে জহিরুলের স্ত্রীকে নিয়ে কক্সবাজারেও যায় রিপন। এরপর মনা মেম্বার কড়া শাসন করলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় রিপন। এরই জেরে সে আমার ছেলে আরাফাতকে হত্যা করেছে।