ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ২৮ জুন ২০২৬ ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শাহেদের হয়রানির শিকার পুলিশও
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Wednesday, 15 July, 2020, 10:50 AM

শাহেদের হয়রানির শিকার পুলিশও

শাহেদের হয়রানির শিকার পুলিশও

রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহেদ করিম প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দাবি করে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিভ্রান্ত করার মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের হয়রানি করতেন। চট্টগ্রামে আটক করা ১৭টি অবৈধ সিএনজি অটোরিকশা ছাড়িয়ে নেয়ার পাশাপাশি অভিযানে অংশ নেয়া পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করেছিলেন তিনি।

জাল রুট পারমিট দেখিয়ে অটোরিকশা চলাচলের সুযোগ করে দেয়ার নামে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শাহেদের বিরুদ্ধে মামলা চলছে।

চট্টগ্রাম পুলিশের গোপন নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ২০১৬ সালের ৫ নভেম্বর নগরীর কর্ণফুলী এলাকা থেকে ১৭টি অবৈধ সিএনজি অটোরিকশা আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। বর্তমানে বহুল আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান শাহেদ করিম সিএমপির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ফোন দিয়ে ১৬টি অটোরিকশা ছাড়িয়ে নেন। পরবর্তীতে তিনি চট্টগ্রাম এসে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিচয়ে অভিযানে অংশ নেয়া গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের শাসিয়ে যান। এসময় শাহেদ সিএনজি আটকের বিষয়টি ধামাচাপা দিতে বাধ্য করে পুলিশ কর্মকর্তাদের।

সিএমপি কাউন্টার টেররিজম ইউনিট পরিদর্শক রাজেশ বড়ুয়া বলেন, শাহেদ হুমকি দেয় সে প্রধানমন্ত্রীর উপদেস্টা, সবাই তার হাতের মুঠোয়। আমরা কিভাবে পুলিশের চাকরি করি তা দেখে নেবে।

ব্যবসায়ীক পার্টনারের সিএনজি আটককে কেন্দ্র করে শাহেদ করিমের রোষাণলের শিকার হয়ে গত চার বছর ধরে বিভাগীয় তদন্ত কমিটির জেরার মুখে রয়েছেন সিএমপি কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক রাজেশ বড়ুয়া ও আফতাব আহমেদ। তার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আজমীর এবং শাহেদ নামে দু'এএসআই আগেই শাস্তি পেয়েছেন।

সিএমপি কাউন্টার টেররিজম ইউনিট অতিরিক্ত উপ কমিশনার পলাশ কান্তি নাথ বলেন, শাহেদ এসে বলেছিলেন তিনিই প্রমাণ এই সিএনজিতে কোনো দুই নাম্বারি নেই।

এদিকে পুলিশের অনুসন্ধানে বের হয়ে এসেছে, রুট পারমিট করে দেয়ার ব্যাপারে শাহেদের কাছ থেকে নিশ্চয়তা পেয়ে চট্টগ্রামের মেগা মোটরস নামে একটি প্রতিষ্ঠান ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ অটোরিকশা নিয়ে আসে। আর এসব অটোরিকশার ইঞ্জিন এবং চেসিস নম্বর পরিবর্তন করতে গিয়ে ধরা পড়ে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে। শেষ পর্যন্ত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শাহেদ করিমের বিরুদ্ধে মামলা করেছে সেই মেগা মোটরস।

মেগা মোটরস পরিচালক সাইফুদ্দিন মহসিন বলেন, আমার কাছ থেকে ৯১ লাখ ২৯ হাজার টাকা নিয়েছে। বলছে, বিআরটিএ ও বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সাথে সম্পর্ক আছে, রুট ও পারমিট করে দেবে।

গোয়েন্দা পুলিশের বিরুদ্ধে করা শাহেদ করিমের অভিযোগ তদন্ত করছে পুলিশের সিকিউরিটি ইউনিট। অপরদিকে শাহেদ করিমের বিরুদ্ধে করা টাকা আত্মসাতের মামলা তদন্ত করছে ডবলমুরিং থানা পুলিশ।

সম্পাদনা: মোঃ রাসেল আহমেদ

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status