প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে আত্মরক্ষায় যেসব আমল করা যেতে পারে
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Sunday, 8 March, 2020, 8:54 PM
প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে আত্মরক্ষায় যেসব আমল করা যেতে পারে
করোনাভাইরাস এতদিন সারাবিশ্বের আতঙ্ক থাকলেও এখন বাংলাদেশেও এই ভাইরাসের আস্তিত্ব পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশসহ ১০৫টি দেশে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে।
আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৬ হাজার ১৯৮ জন। মারা গেছে সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি মানুষ।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, জল–স্থলে বিপর্যয় মানুষের কৃতকর্মের ফল। ( সুরা-৩০ রুম, আয়াত: ৪১)। মানুষের গুনাহ ও কৃতকর্মের কারণেই এ ধরনের বিপর্যয় ঘটে থাকে। সমাজে অন্যায়-অনাচার বেড়ে গেলেই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের বেশি আশঙ্কা থাকে।
তাই বিভিন্ন হাদিসে রাসূল (সা.) প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের অনেক কারণ উল্লেখ করেছেন। রাসূল (সা.) নিজেও উম্মতের ওপর এসব দুর্যোগের ব্যাপারে শঙ্কিত ছিলেন। এই উম্মতকে যেন কোনো গজব বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ দিয়ে একসঙ্গে ধ্বংস করা না হয় এ জন্য রাসূল (সা.) আল্লাহর কাছে দোয়া করেছেন।
এ জন্য আমাদের বেশি বেশি গুনাহ থেকে তওবা-ইস্তেগফার করতে হবে। কারণ গুনাহের কারণেই এ জাতীয় মহামারি আসে বলে কোরআনের আয়াত দ্বারা বুঝা যায়।
পাশাপাশি করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সচেতনতা ও সতর্কতার পাশাপাশি কয়েকটি আমল করা যেতে পারে।
১. আয়তুল কুরসী, সূরা ইখলাস, ফালাক ও সূরা নাস তিনবার পড়ে প্রতিবার হাতে ফুঁ দিয়ে পুরো শরীরে মুছলে শরীর যে কোনো বিপদ থেকে নিরাপদ থাকা যায়।
২. নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহামারি থেকে বাঁচতে বেশি বেশি এই দোয়া পড়তে বলেছেন।
৬. এই দোয়াটিও বেশি বেশি পড়া যেতে পারে। اللهم إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِن منْكَرَاتِ الأَخلاقِ، والأعْمَالِ والأَهْواءِ والأدواء ) رواهُ الترمذي وقال: حديثُ حَسَنٌ(.
উচ্চারণ: আউজুবি কালিমা-তিল্লাহিত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা খলাক।
একটি বিশেষ সুন্নাহ হলো, আক্রান্ত ব্যক্তি নিজ এলাকা থেকে বের হবে না অন্যান্য ব্যক্তি ঐ এলাকায় যাবে না।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যখন কোনো এলাকায় মহামারি (সংক্রামক ব্যাধি) ছড়িয়ে পড়ে তখন যদি তোমরা সেখানে থাকো, তাহলে সেখান থেকে বের হবে না। আর যদি তোমরা বাইরে থাকো তাহলে তোমরা সেই আক্রান্ত এলাকায় যাবে না। (বুখারি ও মুসলিম)
আল্লাহ তায়ালা আমাদের করোনাসহ সব মহামারী ও বিপর্যয় থেকে রক্ষা করুন। আমিন।