|
চট্টগ্রাম নন্দনকাননে পদ্মফুলের গোলচত্বর, পূরণ হলো বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা
মো.মোক্তার হোসেন বাবু, চট্টগ্রাম
|
![]() চট্টগ্রাম নন্দনকাননে পদ্মফুলের গোলচত্বর, পূরণ হলো বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা চসিকের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, শতাব্দীপ্রাচীন চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের সামনে পদ্মফুল স্থাপনের স্বপ্ন ছিল সাংঘিক বিহারের রূপকার অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাথেরের। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সাধারণ মানুষেরও দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল এটি। অবশেষে চসিকের উদ্যোগে সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। এ উদ্যোগের জন্য চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের পক্ষ থেকে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে। অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাথের বলেন, শতাব্দীপ্রাচীন চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের সামনে পদ্মফুল স্থাপনের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে। বৌদ্ধ দর্শনে পদ্মফুল পবিত্রতা, প্রজ্ঞা ও আধ্যাত্মিক বিকাশের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। কাদার মধ্যে জন্মেও পদ্মফুলের নির্মলভাবে বিকশিত হওয়ার বৈশিষ্ট্য বৌদ্ধ দর্শনে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। সেই প্রতীককে কেন্দ্র করে নির্মিত গোলচত্বরটি নান্দনিক নকশা ও বর্ণিল আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে। চট্টগ্রাম নানা ধর্ম, সম্প্রদায় ও সংস্কৃতির মানুষের সহাবস্থানের জন্য পরিচিত। নগরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ধর্মীয় ঐতিহ্যের প্রতীক স্থাপন সেই বৈচিত্র্যময় পরিচয়কে আরও দৃশ্যমান করে। একই সঙ্গে নগরের সৌন্দর্যবর্ধনে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মানুষের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টিও সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারের সামনের পদ্মফুলের গোলচত্বর কেবল সৌন্দর্যবর্ধনের স্থাপনা নয়; এটি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ এবং চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি সম্মান জানানোর একটি উদ্যোগ। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করা গেলে স্থাপনাটি নগরের নান্দনিক পরিবেশ ধরে রাখার পাশাপাশি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরতেও ভূমিকা রাখবে। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
