|
ইরানকে একঘরে করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রই কি একঘরে হয়ে যাচ্ছে?
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() ইরানকে একঘরে করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রই কি একঘরে হয়ে যাচ্ছে? একইসঙ্গে, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা রক্ষায় সামরিক বাহিনী বা সরঞ্জাম পাঠানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে দক্ষিণ কোরিয়া। মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে সহযোগিতা করতে দক্ষিণ কোরিয়ার দ্বিধার প্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দেশটির ওপর নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করছেন, এমনকি যৌথ সামরিক মহড়া হ্রাসের হুমকিও দিয়েছেন। এই চাপের মুখে দক্ষিণ কোরিয়া বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানকে ইইউ তাদের বিবৃতিতে সমর্থন জানালেও নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে নিজেদের নীতি মেলানো বা অভিযানে সরাসরি যুক্ত হওয়ার মতো কোনো ঘোষণা তারা দেয়নি। বরং ইইউ বলেছে, ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বজায় রাখার পাশাপাশি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের সুযোগও খোলা রাখা দরকার। ফলে ব্রাসেলসের বর্তমান অবস্থানকে সমর্থনসূচক বলা গেলেও তা আনুষ্ঠানিক যোগদান হিসেবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না। বৃহস্পতি ও শুক্রবার নাম-প্রকাশে-অনিচ্ছুক সরকারি ও সামরিক সূত্র উদ্ধৃত করে দক্ষিণ কোরিয়ার একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নতুন সামরিক মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছে এবং এ লক্ষ্যে পার্লামেন্টের সম্মতি নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে—যদিও মোতায়েনের সুনির্দিষ্ট মাত্রা ও সময়সীমা এখনো ঠিক হয়নি। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এই প্রতিবেদনগুলোকে বাস্তব তথ্যের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে জানিয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, বিষয়টি পর্যালোচনাধীন থাকলেও এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। একজন কর্মকর্তা জানান, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল দ্রুত স্বাভাবিক করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে কার্যকর ভূমিকা রাখার উপায় নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়া নিবিড় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। সবশেষে, মার্কিন অর্থমন্ত্রী বেসেন্ট জানান, ইরানের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ ক্রমাগত বাড়ছে এবং দেশটির অবশিষ্ট সব আর্থিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটন এই চাপ অব্যাহত রাখবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
