|
এসএসসি: পুনর্নিরীক্ষণের ফল মিলতে পারে ১০ সেপ্টেম্বর
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() এসএসসি: পুনর্নিরীক্ষণের ফল মিলতে পারে ১০ সেপ্টেম্বর কমিটির তরফ থেকে করা এ প্রস্তাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সায় দিলে সেদিন ফল প্রকাশ করা হবে। প্রত্যাশিত ফল না পেয়ে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা ৪ লাখ পরীক্ষার্থী এ ফলের অপেক্ষায় আছেন। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি, ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট)বিকালে বলেন, “১০ সেপ্টেম্বর পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশে সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করে একাদশে ভর্তির প্রস্তাবিত খসড়া নীতিমালা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পর এ ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত হবে।” চলতি বছরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় আশানরূপ ফল না পেয়ে ৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করছেন। তারা মোট ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি পত্রের ফল পুনর্নিরীক্ষণ চেয়েছেন। এর মধ্যে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি পত্রের সঙ্গে ব্যবহারিক রয়েছে। সেই হিসাবে ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি তত্ত্বীয় উত্তরপত্র এবং ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি ব্যবহারিক উত্তরপত্রসহ মোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ করা হবে। গত ১০ অগাস্ট চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এ পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ, যা ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এবারের পরীক্ষায় মোট ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। ফল প্রকাশের পরদিন থেকে ১৭ অগাস্ট পর্যন্ত পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সুযোগ পেয়েছিলেন পরীক্ষার্থীরা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আইইআইএমএস প্রকল্পের আওতায় নির্মিত https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি পত্রের ফল পুনর্নিরীক্ষণে ১৫০ টাকা হারে ফি দিতে হয়েছে আবেদনকারীকে। ফল প্রকাশের দিন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, এবার প্রথমবারের মতো খাতা নতুন করে মূল্যায়নের সুযোগ রয়েছে। আগে এসএসসি ও এইচএসসির মত পাবলিক পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া পরীক্ষার্থীরা ফল পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগ পেতেন। পাবলিক এক্সামিনেশন (অফিসার্স) অ্যাক্ট ১৯৮০ অনুসারে ওইসব পরীক্ষার্থীর খাতায় পাওয়া নম্বর কেবল নতুন করে গোনা হত; তবে উত্তরপত্র নতুন করে মূল্যায়ন করা হতো না। তবে আগের আইন সংশোধন করে গত ৭ জুলাই ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২৬’ সংসদে পাস হয়, যা ৯ জুলাই গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। নতুন আইনে বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষক কোনো পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র অতিমূল্যায়ন (ওভার অ্যাসেস) বা অবমূল্যায়ন (আন্ডার অ্যাসেস) করলে তিনি সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এ ক্ষেত্রে তৃতীয় পরীক্ষকের মাধ্যমে অতি বা অবমূল্যায়নের বিষয়টি নির্ধারিত হতে হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
