|
পুঁজিবাজার থেকে ১,৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে সিটি গ্রুপ
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() পুঁজিবাজার থেকে ১,৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে সিটি গ্রুপ অন্যান্য অর্থায়ন বিকল্পের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি ও অর্থায়নের চাহিদা মেটাতে টেকসই একটি উৎস হিসেবে পুঁজিবাজারকে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিটি গ্রুপ। এই উদ্যোগ নতুন ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়িয়ে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া, অর্থায়নের বিকল্প উৎস হিসেবে পুঁজিবাজারে নাম লিখাতে অন্যান্য কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানকেও উৎসাহিত করবে, যা দেশের পুঁজিবাজারের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। প্রস্তাবিত এই তহবিল সংগ্রহের জন্য তাদের ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস পিএলসি। এতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও), প্রাইভেট ইকুইটি, প্রেফারেন্স শেয়ার, কর্পোরেট বন্ড, সুকুক বা অনুমোদিত অন্য যেকোন পুঁজিবাজার উপকরণ থাকতে পারে। লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস সব প্রকার বিধিবিধান ও প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক অনুমোদন সাপেক্ষে ইস্যু ব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট পুঁজিবাজার কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিবে। উভয় প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে একত্র করে উপযুক্ত অর্থায়ন কাঠামো তৈরি করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য। এই প্রস্তাবিত লেনদেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনুমোদিত ব্যাংকিং সেবা ও অবকাঠামো দিতে ব্যাংকিং পার্টনার ও ব্যাংকার টু দ্য ইস্যু হিসেবে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস পিএলসি’র সঙ্গে কাজ করবে ওয়ান ব্যাংক পিএলসি। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সিটি গ্রুপের কর্পোরেট প্রধান কার্যালয়ে এই বিষয়ক একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেসময় উপস্থিত ছিলেন সিটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: হাসান; সিটি গ্রুপের স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার ও পরিচালক ফারজানা রহমান এবং শম্পা রহমান; লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস পিএলসি’র পরিচালক ও লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী; ওয়ান ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহিত রহমান প্রমুখ। সিটি গ্রুপ পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং বর্তমানে দেশের অন্যতম প্রধান শিল্পগোষ্ঠী এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও ভোগ্যপণ্যের শীর্ষস্থানীয় সরবরাহকারী হিসেবে সুনাম অর্জন করেছে। ভোজ্যতেল, আটা-ময়দা, চিনি, ডাল, চাল, ফিডসহ অন্যান্য ভোগ্য ও শিল্প পণ্যের ব্যবসার মাধ্যমে সিটি গ্রুপ দেশের সরবরাহ ব্যবস্থা ও অর্থনীতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
