|
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: সুপারিশপ্রাপ্তদের শাহবাগে অবস্থান
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: সুপারিশপ্রাপ্তদের শাহবাগে অবস্থান রোরবার বেলা ১১টা থেকে তারা জাতীয় জাদুঘরের সামনে জড়ো হন। এরপর জাদুঘরের সামনের সড়কে অবস্থান নেন। ফলে সড়কের জাদুঘরের সামনের পাশ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এ পরিস্থিতিতে পুলিশ সদস্যরা সড়কের অপর পাশ দিয়ে দুই দিনের যান চলাচলের ব্যবস্থা করেছেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১ অক্টোবর থেকে সুপারিশপ্রাপ্তদের যোগদানের তারিখ ঘোষণা করলেও প্রার্থীরা চলতি মাসেই যোগদানের দাবি জানাচ্ছেন। আন্দোলনকারীদের নেতা দেবব্রত সরকার বলেন, “আমরা ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে যোগদান নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছিলাম; কিন্তু তা হয়নি। আমরা অগাস্টেই যোগদান চাই। আমাদের যোগদান ও বিদ্যালয়ে পদায়নের সুনির্দিষ্ট তারিখসহ লিখিত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ না করা হলে আমরা ফিরে যাব না। “ছয় মাস আগে নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েছি। কিন্তু মন্ত্রণালয় আমাদের যোগদানের ব্যবস্থা করছে না। তারা একেক সময় একেক কথা বলছেন। এমন পরিস্থিতিতে আমরা সামাজিকভাবে হেয় হচ্ছি। প্রার্থীদের যারা আগে চাকরি করতেন, তারাও সে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। ফলে আমরা মানবেতর জীবনযাপন করছি। তাই আমরা দ্রুত যোগদানের দাবি জানাচ্ছি।” প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে আগামী ১ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করতে বলেছে। এর আগে শনিবার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাদের ২৯ অক্টোবর যোগদান করানো হবে বলে জানানো হয়েছিল। রোববার আন্দোলনের প্রস্তুতির মধ্যে নতুন তারিখ ঘোষণা করা হলেও তা মানতে নারাজ প্রার্থীরা। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৫ সালের শেষ দিকে ৬১ জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। প্রথম ধাপে গত ৫ নভেম্বর রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের স্কুলগুলোর ১০ হাজার ২১৯টি সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পায়। দ্বিতীয় ধাপে ১২ নভেম্বর ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের স্কুলগুলোর ৪ হাজার ১৬৬টি শূন্য পদ পূরণে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। দুই ধাপের মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি পদ পূরণে ৬১টি জেলায় গত ৯ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তাতে অংশ নেন ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৮ জন প্রার্থী। এরপর ২১ জানুয়ারি প্রকাশিত ফলে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে তাদের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে নিয়োগের জন্য ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয় ফেব্রুয়ারি মাসে। এর মধ্যে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের সরকার বদলে যায়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ‘তড়িঘড়ি’ করে প্রার্থীদের চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গত ১০ মে সুপারিশপ্রাপ্তদের আগের কার্যকলাপ ‘পুলিশি তদন্তের’ মাধ্যমে যাচাই করতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসকে নির্দেশ দিয়েছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
