|
ভিসা ছাড়াই বাংলাদেশি নাগরিকরা এখন কতটি দেশে ভ্রমণ করতে পারে?
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ভিসা ছাড়াই বাংলাদেশি নাগরিকরা এখন কতটি দেশে ভ্রমণ করতে পারে? লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স এ সূচক প্রকাশ করে। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট অনুযায়ী, কোনো দেশের পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়াই (ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল ভিসার মাধ্যমে) কতটি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন, তার ভিত্তিতেই এই সূচক তৈরি করা হয়। এবারের সূচকে ১৯৯টি পাসপোর্ট এবং ২২৭টি গন্তব্য মূল্যায়ন করা হয়েছে। সর্বশেষ সূচক অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও উত্তর কোরিয়ার পাসপোর্টধারীরা এখন আগাম ভিসা ছাড়াই ৩৫টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন। তবে গত বছর বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা একই সুবিধায় ৩৭টি গন্তব্যে যেতে পারতেন। গত বছরের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০০তম। এর আগে ২০২৪ সালে ৯৭তম, ২০২৩ সালে ১০১তম, ২০২২ সালে ১০৩তম, ২০২১ সালে ১০৮তম এবং ২০২০ সালে ৯৮তম স্থানে ছিল বাংলাদেশ। শীর্ষ ১০-এ কারা? এ বছরও সিঙ্গাপুর বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের অধিকারী। দেশটির নাগরিকরা ১৯২টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধায় ভ্রমণ করতে পারেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। এসব দেশের পাসপোর্টধারীরা ১৮৮টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়াই যেতে পারেন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে সুইডেন, যার নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত ১৮৭টি গন্তব্য। চতুর্থ স্থানে যৌথভাবে রয়েছে বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও স্পেন। এসব দেশের নাগরিকরা ১৮৬টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পান। পঞ্চম স্থানে রয়েছে অস্ট্রিয়া, গ্রিস, মাল্টা, পর্তুগাল ও সুইজারল্যান্ড, যাদের নাগরিকরা ১৮৫টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন। ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য, যাদের জন্য উন্মুক্ত ১৮৪টি গন্তব্য। সপ্তম স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চেক প্রজাতন্ত্র, লাটভিয়া, মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও স্লোভেনিয়া। এসব দেশের নাগরিকরা ১৮৩টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়াই যেতে পারেন। অষ্টম স্থানে রয়েছে ক্রোয়েশিয়া ও এস্তোনিয়া (১৮২টি গন্তব্য), নবম স্থানে লিচেনস্টাইন ও লিথুয়ানিয়া (১৮১টি গন্তব্য) এবং দশম স্থানে রয়েছে আইসল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র, যাদের নাগরিকরা ১৮০টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পান। অন্যান্য দেশের অবস্থান ফুটবলের দুই পরাশক্তি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা যৌথভাবে ১৬তম স্থানে রয়েছে। তাদের নাগরিকরা ১৬৯টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন রয়েছে ৩১তম এবং রাশিয়া ৪২তম স্থানে। ইউক্রেনের নাগরিকরা ১৪২টি, আর রাশিয়ার নাগরিকরা ১১৪টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পান। ইসরায়েল রয়েছে ১৮তম স্থানে (১৬৬টি গন্তব্য), আর ইরান ও ফিলিস্তিন যৌথভাবে ৯৬তম স্থানে রয়েছে। তাদের নাগরিকরা ৩৭টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সৌদি আরব রয়েছে ৫৪তম স্থানে। চীন ও কসোভো যৌথভাবে ৬০তম স্থানে রয়েছে, তাদের নাগরিকরা ৮৩টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন। হাইতি ও ভিয়েতনাম রয়েছে ৮৭তম স্থানে। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মালদ্বীপ সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের অধিকারী। দেশটি ৫২তম স্থানে রয়েছে এবং তাদের নাগরিকরা ৯৩টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পান। এরপর রয়েছে ভারত, যার অবস্থান ৮১তম এবং নাগরিকরা ৫৫টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন। ভুটান রয়েছে ৮৮তম (৪৭টি গন্তব্য), মিয়ানমার ৯১তম (৪৩টি), শ্রীলঙ্কা ৯৪তম (৩৯টি), বাংলাদেশ ৯৭তম (৩৫টি), নেপাল ৯৮তম (৩৪টি) এবং পাকিস্তান ১০১তম (২৯টি গন্তব্য) স্থানে। সূচকের সর্বশেষ অবস্থানে রয়েছে আফগানিস্তান, যার নাগরিকরা মাত্র ২২টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পান। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মাঝখানে রয়েছে ইরাক (১০২তম, ২৮টি গন্তব্য) এবং সিরিয়া (১০৩তম, ২৫টি গন্তব্য)। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
