|
হত্যাকান্ডের নাটকীয়তায় ফেঁসে গেলেন ময়মনসিংহের ওসমান গনি
মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল, ময়মনসিংহ
|
![]() হত্যাকান্ডের নাটকীয়তায় ফেঁসে গেলেন ময়মনসিংহের ওসমান গনি জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গনি মিয়া তার পড়নের পাঞ্জাবীতে মুরগির রক্ত মাখিয়ে কলাবাগানে পাঞ্জাবী রেখে বাঁচাও বলে চিৎকার দিয়ে বোরকা পড়ে কৌশলে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে হত্যাকান্ডের কোন আলামত না থাকায় ঘটনা নিয়ে ধুম্রুজালের সৃষ্টি হয়। পরবতীর্তে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার কামরুল হাসানের নির্দেশে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় এস.আই রিপন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিচক্ষণতার সাথে ঘটনা তদন্ত করে রহস্য উদঘাটন ও গনি মিয়াকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উদ্ধারকৃত গনি মিয়া ঘটনার বিবরণে জানান, আমার প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এ হত্যাকান্ডের নাটক করেছিলাম। নাটক সাজাতে বাজার থেকে মুরগি ক্রয় করে আমার পাঞ্জাবী খোলে মাটিতে রেখে তার উপর মুরগি ব্লেড দিয়ে জবাই করি। রক্ত মাখা পাঞ্জাবী, মোবাইল পাশে রেখে আমি নিজেই বাঁচাও বলে চিৎকার দিয়ে বোরকা পড়ে রসুলপুর হয়ে শম্ভুগঞ্জ রেলষ্টেশনে গিয়ে বোরকা খোলে ট্রেনে চড়ে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় রওনা দেই। সেখানে আমার পূর্ব পরিচিত বিল্লাল চেয়ারম্যানের বাড়ীতে দই, মিষ্টি নিয়ে বেড়াতে যাই। কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, ওসমান গনি একটি ক্রাইমসিন রেডি করে বাজার থেকে একটি বোরকা কিনে কোতোয়ালী থানা এলাকা থেকে আত্মগোপন করে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার কসবা থানা এলাকার চেয়ারম্যানাবাড়ীতে অবস্থান নেয়। পূর্ব পরিকল্পিত অনুযায়ী তার পরিবার ও আত্মীয় স্বজন থানায় এসে খুন—গুম করেছে বলে অভিযোগ করেন।প্রাথমিকভাবে সিআরপিসি অনুযায়ী সত্যা যাচাইয়ের জন্য সেখানে অফিসার যায়, পরবতীর্তে আমরা বুঝতে পারি বিষয়টি কেন্দ্র করে ফেব্রিকেটেড এটি একটি আর্টিফিশিয়াল ক্রাইমসিন। সেই ট্র্যাকে অগ্রসর হয়ে আমরা কসবা থানা এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি। তিনি আরও জানান, তারা একটি আর্টিফিশিয়াল ঘটনাস্থল সাজিয়ে ফেব্রিকেটেড মামলা তৈরী করার জন্যই ঘটনা সাজিয়েছিল। পরবতীর্তে যেসকল নিরপরাধ ব্যক্তিদের মিথ্যা ঘটনায় ফাঁসাবেন মর্মে ঘটনা সাজিয়েছিল সেসমস্ত লোকজন উত্তেজিত এলাকার মধ্যে নতুন মারামারির ঘটনার সৃষ্টি হয় যার কারণে আদালতের মাধ্যমে তাকে এলাকার লোকজনের কাছে হস্তান্তর করার জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেই। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
