ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
স্কুলের কাজ রেখেই লাপাত্তা ঠিকাদার শেষ হয়নি ৫ বছরেও
মো: সবুজ ইসলাম, রাণীশংকৈল
প্রকাশ: Saturday, 20 December, 2025, 11:32 AM

স্কুলের কাজ রেখেই লাপাত্তা ঠিকাদার শেষ হয়নি ৫ বছরেও

স্কুলের কাজ রেখেই লাপাত্তা ঠিকাদার শেষ হয়নি ৫ বছরেও

তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাজ পেয়ে শুরু করেন ঠিকাদার। শেষ হবে প্রায় বছরের মধ্যেই। কিন্তু বছর তো দূরের কথা ৫ বছরেও শেষ হয়নি সেই ৪২ লক্ষ টাকার তিনটি বিদ্যালয়ের ওয়াশব্লকের কাজ। শেষ করবে কে, যিনি করেছিলেন শুরু আজ সেই ঠিকাদার লাপাত্তা। শুধু তাই নয় শোনা যাচ্ছে প্রায় বিলের টাকা উত্তোলন করে নিয়েছেন সেই ঠিকাদার। 

ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলের  কাতিহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,বাঁশনাহার গুচ্ছ গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।কাজ শেষ না হওয়ায় বেকায়দায় পড়ে স্কুলের পাশের বাড়িতেই টয়লেটের কাজ সারছেন শিক্ষকসহ শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের আওতায় একটি প্যাকেজে ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওয়াশব্লক নির্মাণের টেন্ডার আহবান করা হয়। সে অনুযায়ী মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক ঠিকাদার পাঁচ বছর আগে কাজ শুরু করে ৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ প্রাপ্তির ৮-১০ মাসের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু কাজ শেষ না করেই সংশ্লিষ্ঠ্য ঠিকাদার বিল তুলে লাপাত্তা হয়ে যায়।

অফিস সূত্রে জানা যায় ৩টি ওয়াশব্লকের মোট বরাদ্দ ৪২ লক্ষ টাকা।  বিদ্যালয়গুলোতে গিয়ে দেখা যায়, ঠিকাদার সামান্যতম কাজ করে লাপাত্তা হয়ে গেছে।আর এতে দূর্ভোগে পড়েছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।

সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গেলে বাঁশনাহার গুচ্ছগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইকবাল হোসেন জানান,আমার বিদ্যালয়ের ওয়াশব্লকের কাজ ৫০ ভাগ হয়েছে। এ ব্যাপারে কাকে কি বলব বলেও কাজ হচ্ছেনা। আর অফিস বলছে কাজ শুরু করা হবে। এভাবেই দিন পার হচ্ছে।

কাতিহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মনসুরা বেগম বলেন,আমার বিদ্যালয়ে দ্বিতল ওয়াশব্লকের দুটি ছাদ করে লাপাত্তা ঠিকাদার আর অফিস। এ ব্যাপারে জনস্বাস্থ্য অফিসে বারবার বলার পরে প্রায় পনের দিন আগে দুই গাড়ি ইট রাখার পর আর কোনো খবর নাই কারোও।

এ বিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারি প্রকৌশলী রোকনুজ্জামান  ওয়াশব্লকের তথ্য দিতে গড়িমসি করে বলেন, আমি সদ্য তিনমাস আগে যোগদান করেছি। এ টেন্ডারের তেমন কোন তথ্য আমার কাছে নেই। এর তথ্য জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে আছে। 

এব্যাপরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমি ঠিকাদারকে খুঁজে পাচ্ছিনা, আর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীকে বলেও কাজ হচ্ছেনা। যা আমি মাসিক সমন্বয় সভায় একাধিকবার বলেছি।


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status