|
সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণে গিয়ে স্ট্রোকে আক্রান্তে জেলের মৃত্যু
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণে গিয়ে স্ট্রোকে আক্রান্তে জেলের মৃত্যু এই ঘটনায় সুন্দরবনে জেলেদের নিরাপত্তা এবং বন বিভাগের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বনজীবী জেলে-বাওয়ালীরা। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা শুধু কাগজ আর টাকার বিনিময়ে পারমিট পাই। কিন্তু আমাদের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। সুন্দরবনে অসুস্থ হলে কোন জেলের চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। সরকার ঠিকই বনজীবীদের কাছ থেকে রাজস্ব নিচ্ছে, কিন্তু তাদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে পারছে না বনবিভাগ। জানা যায় নিহত জেলে,তিনি দীর্ঘ ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে সুন্দরবনে মাছ, কাঁকড়া ও মধু আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। জানা যায়, গত সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকালে বনবিভাগের কদমতলা স্টেশন থেকে পাস নিয়ে হরিপদ মন্ডল ও সুকুমার মন্ডল ছোট নৌকায় কাঁকড়া ধরার জন্য মালঞ্চ নদীর জোড়া বয়ারসিং এলাকার একটি খালে প্রবেশ করেন। শুক্রবার দুপুরের দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হরিপদ মণ্ডল মৃত্যুবরণ করেন। পরে অন্য জেলেদের সহযোগিতায় তার লাশ গাবুরায় নেওয়া হয়। এরপর পরিবারের খোঁজ নিয়ে শুক্রবার রাত ১টার দিকে নীলডুমুর ঘাটে নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকে তার পরিবার ওই রাতেই নদীপথে লাশ নিয়ে বাড়িতে পৌঁছায়। সেখানে শনিবার সন্ধ্যায় তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করে পরিবার। তার সঙ্গী সুকুমার মন্ডলের ভাষ্য মতে, কাঁকড়া ধরার এক পর্যায়ে হঠাৎ হরিপদ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে আশপাশের জেলেদের ডাকলে তারা নৌকা নিয়ে এগিয়ে আসেন। ততক্ষণে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। হরিপদ মন্ডলের প্রতিবেশী অবিনাশ চক্রবর্তী বলেন, সরকার আমাদের মতো গরিব জেলেদের কথা ভাবে না। বনে গেলে বাঘের ভয়, জলদস্যুর ভয়। এর ওপর যদি সরকারি অফিসগুলো এমন উদাসীন থাকে, তাহলে আমাদের কী হবে? বন বিভাগের কদমতলা স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা সোলাইমান হোসেন জানান, তিনি এ বিষয়ে জানেন না এবং কেউ আমাকে জানায়নি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
