|
ফরিদপুরে চাঁদাবাজি মামলায় এনসিপি নেতা অবসরপ্রাপ্ত মেজর হায়দার গ্রেপ্তার
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() ফরিদপুরে চাঁদাবাজি মামলায় এনসিপি নেতা অবসরপ্রাপ্ত মেজর হায়দার গ্রেপ্তার মঙ্গলবার (০৩ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই মামলায় তাদের ফরিদপুরের আদালতে প্রেরণ করা হয়। নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম জানান, মেজর হায়দারের সঙ্গে ফরহাদ হোসেন সহ আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শণ ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি মেম্বার রাজু মোল্লা বাদি হয়ে থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন। এ প্রেক্ষিতে যৌথবাহিনীর অভিযানে সোমবার দিবাগত রাতে যৌথবাহিনীর অভিযানে তাকে আটক করা হয়। ওই মামলায় মঙ্গলবার সকালে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য রাজু মোল্ল্যা অভিযোগ করে বলেন, ইউনিয়ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন মেজর হায়দার। এতে রাজি না হলে গত ১ জুন তাকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। পরে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এদিকে, কোদালিয়া গ্রামে যৌথবাহিনীর অভিযানের সময় মসজিদের মাইক ব্যবহার করে ফরহাদ হোসেন ‘মেজরের বাড়িতে ডাকাত পড়েছে’ বলে গুজব ছড়ান। এতে আশপাশের এলাকা থেকে মানুষজন ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে পুলিশ সাইরেন ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে জানায়—এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব, ডাকাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি। এর আগে নগরকান্দা উপজেলার ডাংগি ইউনিয়নের ভবুকদিয়ায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক নারী নেত্রীর বোনকে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে সেনাবাহিনীর দল পৌঁছলে গোলাম হায়দার লোকজন নিয়ে সেনা কমান্ডারের সাথে অশোভন আচরণ করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এর ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন গোলাম হায়দার। স্থানীয়রা জানান, ৫ আগস্টের পর গোলাম হায়দার SS07 ফোর্স নামে একটি বাহিনী গড়ে তুলেন। গত মে মাসে তিনি নগরকান্দা উপজেলায় সদ্যগঠিত এনসিপি নামক রাজনৈতিক দলের দলীয় কার্যালয় উদ্বোধন করেন। তিনি এনসিপি থেকে নির্বাচন করার প্রস্তুতি চালাচ্ছিলেন। নিজস্ব বাহিনীর মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে তিনি নির্বাচনী এলাকায় চলাফেরা করতেন। গত মে মাসে ফরিদপুরে সাংবাদিকদের সাথে এনসিপির মতবিনিময় সভাতেও তিনি উপস্থিত ছিলেন।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
