|
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মীর ঢাকা-নিউইয়র্কে ৮ ফ্ল্যাট, আছে হোটেল-জমির ব্যবসাও
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মীর ঢাকা-নিউইয়র্কে ৮ ফ্ল্যাট, আছে হোটেল-জমির ব্যবসাও রাজধানীর চন্দ্রিমা হাউজিং। চলছে ১৩তলা ভবনের কাজ। এখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা সেলিম হোসেনের একটি ও তাঁর স্ত্রীর নামে আছে আরেকটি ফ্ল্যাট। নবীনগর হাউজিংয়ে নির্মাণাধীন ব্লু হ্যাভেন, এখানেও সেলিম দুটি ফ্ল্যাট। পাশের ভবনেও আরও একটি। কল্যাণপুরের দখিনা বাতায়নের ২ ফ্ল্যাটের একটি কিনেছেন ভাই মেহেদী হাসানের নামে। নিজ গ্রাম চুয়াডাঙ্গার তিয়রবিলায়ও করছেন তিনতলা বাড়ি। জমি কিনেছেন ঝিনাইদহ, যশোর, আশুলিয়া ও কক্সবাজারের ইনানীতে। সেলিম হোসেনের মা কহিনুর বেগম, বলেন, সে ব্যবসা করেছে। ব্যবসা করে টাকা হয়েছে। সে শুধু মন্ত্রণালয়ে চাকরি করে না। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে সম্পদ আছে বিদেশেও।নিউ ইয়র্কের এই বিলাসবহুল ভবনে ফ্ল্যাট কিনেছেন ৫ কোটিতে। নিয়েছেন গ্রিন কার্ডও। নিউইয়র্কের একজন বলেন, এখানে অনেকদিন তাঁকে দেখা গেছে। অনেক দিন হয়েছে তাঁকে আমরা দেখতে পাচ্ছি না। উনি বাংলাদেশে অনেক প্রতারণা করে এসব করেছেন। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন সেলিম। তখনকার ৯ হাজার টাকার বেতন বেড়ে এখন ৩৫ হাজার। ২০২৪ সালে সব মিলিয়ে ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা বেতন পেলেও ১৭ লাখ দিয়েছেন জাকাতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং সমাজ ও অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক বলেন, প্রশাসনের যে পর্যায়ে তিনি চাকরি করুন না কেন, তিনি যদি রাজনীতিতে জড়িত থাকেন তবে অবৈধভাবে আয়ের একটা সুযোগ তৈরি হয়। তিনি বলেন, ধরা পড়লে তাঁর জন্য কী শাস্তি তার জন্য অপেক্ষা করছে, এই দৃষ্টান্ত কার্যকরীভাবে স্থাপন না করা হলে এটার পরিবর্তন হবে না। এ সব বিষয়ে কথা বলতে সেলিম হোসেনকে ফোন দিলেও ধরেননি। বক্তব্য দিতে রাজি নয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও। তবে জানানো হয়েছে, সেলিমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
