|
রাণীনগরে মাজার-ঈদগাঁর প্রায় ৯০লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর
|
![]() রাণীনগরে মাজার-ঈদগাঁর প্রায় ৯০লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রাণীনগর প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আব্দুস সামাদ অভিযোগ করে বলেন,ভেটুরিয়া মৌজায় কয়েকটি দাগে প্রায় ২০বিঘার অধিক সম্পত্তি কাঙ্গালী পীর তৎকালীন সময়ে মসলিম সম্প্রদায় তথা জনসাধারনের স্বার্থে সি/এস খতিয়ানে ভেটুরিয়া গ্রামের হেতু প্রামানিককে জিম্মাদার নিয়োগ করেন। এর পর থেকে সম্পত্তিগুলো কাঙ্গালী পীরের মাজার এবং একইস্থানে অবস্থিত ভেটুরিয়া ঈদগাঁর উন্নয়নে ব্যয় করে আসছিল। এরই মধ্যে হেতু প্রামানিক মারা গেলে তার ছেলে/নাতিরা নিজস্ব সম্পত্তি দাবি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোগ দখল করতে থাকে। একপর্যায়ে মসলিম সম্প্রদায়ের পক্ষে ভেটুরিয়া গ্রামের আব্দুল করিম গত ২০০৭সালের ২৪জুলাই আদালতে মামলা দায়ের করে ২০১৯সালের ৭ফেব্রুয়ারী ডিগ্রি করেন। সংবাদ সম্মেলনে আব্দুস সামাদ দাবি করেন, এই দীর্ঘ ১২বছর যাবৎ মামলা চলাকালে হেতু প্রামানিকের ওয়ারিশ বর্গ সেকেন্দার ও তার ভাই ছেলেরা ভোগ দখল করে পুকুর,জমি,ভিটা এবং উক্ত জায়গা থেকে বিভিন্ন প্রজাতির পুরোনো গাছ বিক্রি করে প্রায় ৫১লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে। এছাড়া আদালতের রায়ের পর একই এলাকার চকার পুকুর গ্রামের আব্দুল হাকিম রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ২০১৯সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পুকুরসহ সম্পত্তিগুলো জবর দখল করে এবং পুকুর পারের একটি শতবর্ষি তেতুল গাছ বিক্রিসহ গত ৬বছরে প্রায় সাড়ে ৩৬লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে দাবি করেন আব্দুস সামাদ। তিনি আরো বলেন,এসব বিষয় নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দূর্নীতিকারীদের শাস্তি প্রদান,আত্মসাতকৃত অর্থ আদায় এবং জিম্মাদারের পরিবর্তনের দাবি জানান। সম্মেলনে স্থানীয় ওসমান আলী, আজিজার রহমান,মোস্তাফিজুর রহমান সুমন ও শাহাজাহান আলী উপস্থিত ছিলেন। এব্যাপারে জানতে চাইলে সেকেন্দার আলীর ছেলে দুলাল হোসেন জানান,উক্ত সম্পত্তিগুলো আমার দাদার নামে রেকর্ড আছে। সেই অনুযায়ী আমরা ভোগ দখল করেছি। পরে জনসাধারনের পক্ষে প্রতিপক্ষের লোকজন মামলা দায়ের করে ডিগ্রী পায়। আমরা ডিগ্রীর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করেছি।বর্তমানে মামলা চলমান রয়েছে। এখানে টাকা আত্মসাতের মিথ্যে অভিযোগ করেছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
