জানা গিয়েছে, লাভপুরের লাঘাটা আদিবাসী পাড়ার বাসিন্দা সুপুরমণি মাড্ডি একটি বাচ্চার কান্নার আওয়াজ শুনতে পান। চারিদিকে খোঁজাখুঁজির পর দেখেন গ্রামের জঙ্গলের ভিতর কাপড় জড়ানো অবস্থায় পড়ে রয়েছে এক সদ্যোজাত। সঙ্গে সঙ্গে পড়শিদের খবর দেন তিনি। ওই মহিলা ও তাঁর স্বামী শিশুটিকে নিজের কাছে রাখার ইচ্ছে প্রকাশ করেন। তবে ততক্ষণে খবর চলে যায় লাভপুর থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে পাঠায় লাভপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র।
স্বাভাবিকভাবেই সকলের মনে প্রশ্ন ছিল, ওই শিশুটি কোথা থেকে এল ওই জঙ্গলে? ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই জানা যায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে ওই গ্রামেরই রুরি সোরেন সন্তানের জন্ম দিয়েছে। রুবি ও তাঁর স্বামী বিজয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই প্রকাশ্যে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, উদ্ধার হওয়া শিশুকন্যাটি তাঁদেরই। রুবির দাবি, সন্তান জন্মের পর সে অজ্ঞান ছিল, তাই জানে না কী ঘটেছে। বিজয় জানিয়েছে, শিশুটি নড়াচড়া করছিল না। তাই মৃত ভেবে ফেলে দিয়েছে। যদিও এই তথ্য সঠিক নয় বলেই ধারনা পুলিশের। ওই দম্পতির আগের একটি ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। ফের মেয়ে হওয়ার কারণেই শিশুটে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে ধারনা। গ্রেপ্তার করা হয়েছে রুবি ও বিজয়কে।