ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ২০ মে ২০২৬ ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বিয়ে করতে এসে বর-ঘটক-সাংবাদিক ধরা
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Wednesday, 14 July, 2021, 11:35 AM

বিয়ে করতে এসে বর-ঘটক-সাংবাদিক ধরা

বিয়ে করতে এসে বর-ঘটক-সাংবাদিক ধরা

সিলেটের বিশ্বনাথে প্রতারণা করে বিয়ে করতে এসে স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছেন বর, ঘটক ও এক ভুয়া সাংবাদিক। গতকাল সোমবার রাত ৮টায় উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের পূষণী গুচ্ছ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চন্দ্র দাশের কাছে মুচলেকা ও কনেপক্ষের ক্ষতিপূরণের টাকা দিয়ে ছাড়া পান তারা।

আটক তিন ব্যক্তি হলেন উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের নওধার গ্রামের জুনাব আলীর ছেলে বর ফারুক আলী (৩৯), একই গ্রামের শওকত আলীর ছেলে সাংবাদিক পরিচয়দানকারী সামসুল ইসলাম (৪০) ও খাজাঞ্চী ইউনিয়নের প্রতাপপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে ঘটক কচির আলী (৩৮)।

সূত্র জানায়, ঘটক কচির আলীর মাধ্যমে পূষণী গুচ্ছ গ্রামের স্থানীয় এক বাসিন্দার মেয়ের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয় ফারুক আলীর। সময় নির্ধারণ হয় গতকাল সোমবার রাতে। বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্নও করে কনেপক্ষ। নির্ধারিত সময়ে ঘটক কচির আলী ও ভুয়া সাংবাদিক সামসুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে কনের ঘরে আসেন বর ফারুক আলী।

কনের পিতা হানিফ আলী জানান, বিয়ের আগ মূহুর্তে তারা জানতে পারেন বর ফারুক আলী বিবাহিত। তার সন্তানও রয়েছে। অথচ বিয়ের আলাপকালে বিষয়টি বর গোপন রাখেন। তার স্ত্রী-সন্তান আছে জেনে তারা বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণায় আশ্রয় নিয়ে তার মেয়েকে বিয়ে করতে এসেছেন। তাদের সঙ্গে থাকা সাংবাদিক পরিচয়দানকারী সামসুল ইসলামও সাংবাদিক নন। ভুয়া সাংবাদিক। পরে তাদের আটকে রেখে স্থানীয় ইউপি সদস্য সিরাজ উদ্দিনকে বিষয়টি জানান তারা।

ইউপি সদস্য সিরাজ সিরাজ উদ্দিন বলেন, ‘গতকাল সোমবার রাতে ওই তিন প্রতারককে আমার জিম্মায় রেখে আজ দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের নির্দেশে তার অফিস কক্ষে নিয়ে যাই।’

খাজাঞ্চী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তালুকদার মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, ‘আজ মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম নুনু মিয়া, উভয়পক্ষের স্থানীয় ইউপি সদস্য ও সংবাদকর্মীসহ আমার উপস্থিতিতে ওই তিনজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহোদয়ের কাছে মুচলেকা এবং কনেপক্ষের ক্ষতিপূরণের টাকা দিয়ে তারা ছাড়া পেয়েছেন।’

বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরপ্রশাসক সুমন চন্দ্র দাশ দৈনিক আমাদের সময়কে বলেন, ‘তারা ভবিষ্যতে এমন কাজ করবে না মর্মে মুচলেকা দিয়েছেন। সেইসঙ্গে কনেপক্ষের ক্ষতিপূরণের ৬ হাজার টাকাও দিয়েছেন।’

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status