|
লকডাউনেও সোনাগাছির এই যৌনকর্মীর রেট জানলে অবাক হবেন
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() লকডাউনেও সোনাগাছির এই যৌনকর্মীর রেট জানলে অবাক হবেন বাজার মন্দা, তবু অনেক মেয়েই নতুন করে পা বাড়াচ্ছেন সোনাগাছির পথে। করোনা পরিস্থিতিতে মাথায় হাত পড়েছে যৌনকর্মীদের। দীর্ঘদিন ব্যবসা বন্ধ থাকায় ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার খরচ যোগাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ হেন পরিস্থিতিতেও আগের চেয়ে বেশি মেয়ে আসছেন সোনাগাছিতে, জানিয়েছেন যৌনকর্মীদেরই একাংশ। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক যৌনকর্মী বলেন, দেশে বড় কোনও বিপর্যয় এলে মেয়েদের সংখ্যা আগেও বেড়েছে সোনাগাছিতে। লকডাউনের ফাঁস আলগা হতেই বহু মেয়ে ফের যৌনপল্লিতে পা রাখছেন। তাঁর কথায়, অনেকে পেটের দায়ে, পরিবারের চাহিদা মেটাতে এ-মুখো হয়েছেন। বর্তমান সময়ে এই কাজে কারা আসছেন? নীলিমা বলেন, “কেউ নিজের জন্য এই লাইনে আসে না। বাচ্চাদের লেখাপড়া, পরিবার, ভাইবোনের বিয়ে, সবই চলে এখানকার রোজগারেই।” ![]() লকডাউনেও সোনাগাছির এই যৌনকর্মীর রেট জানলে অবাক হবেন সবাই এই পেশায় আসছে স্বেচ্ছায়। দুর্বার-কর্মী রমা দেবনাথের বক্তব্য, “জোর করে এই পেশায় কাউকে নামানো যায় না। দুর্বার সেই ব্যবস্থা করেছে। এখানে কোনও মেয়ে আসলে প্রথম বোর্ডে তোলা হয়। কাউন্সিলিং করানো হয়। তাঁদের সমস্যা শোনা হয়, সমাধানের চেষ্টা করা হয়। আবার সব যৌনকর্মীই পাচারের শিকার ও অনিচ্ছায় এই পেশায় যুক্ত তাও নয়। অনেককে বাড়িও পাঠানো হয়। তবে এখন রোজগারের যা অবস্থা, এমনও ঘটনা আমরা জানি, স্বামী নিজে তাঁর স্ত্রীকে লাইনে নামিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন। অনেককে বাড়িও পাঠানো হয়। যেমন কলকাতার এক বাঙালি মডেল স্বইচ্ছায় এই কাজে লিপ্ত হয়েছে। নাম অদৃজা মন্ডল। মডেলিংয়ের পাশাপাশি সোনাগাছি যৌনপল্লীর কাজের সাথেও যুক্ত এই বাঙালি মডেল। বর্তমানে লকডাউন পরিস্থিতিতে সেরকম কোনো কাজের সুযোগ না থাকায় এই কাজটা তার একটা পার্ট টাইম কাজ হিসেবে ভালোই রোজগার হয়। অভিনেত্রী থেকে যৌনকর্মী, তারপরে আবার লেসবিয়ান হয়ে প্রকাশ্যে ঠোঁটঠাসা চুম্বন, সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ চর্চায় থাকেন এই বাঙালি অগ্নিকন্যা। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানান “অল্প বয়সী মেয়েরা, যারা কিনা স্থানীয়ভাবে “খেলোয়াড়” হিসাবে পরিচিত, তারা দলবেঁধে না হলে একলা একলাই গ্রাহকদের অনুরোধ করার জন্য অপেক্ষা করে। এছাড়া পথের দুই পাশে প্রায়শই ছোট দোকানের মত বুথ থাকে, সেখানে মেয়েটির দালাল হিসেবে তার ভাই না হলে বাবা, খদ্দেরকে নিমন্ত্রণ জানায়। তারা চালকদের সাথে একটি চুক্তি করে, যা সাধারণত গ্রাহক প্রতি ১০০ থেকে ২০০ ভারতীয় রুপি হয়ে থাকে। একটি কুমারী মেয়ের জন্য সর্বোচ্চ দাম পাওয়া যায় খদ্দের প্রতি পাঁচ হাজার টাকা। ![]() লকডাউনেও সোনাগাছির এই যৌনকর্মীর রেট জানলে অবাক হবেন কোনো বড়ো পার্টি হলে আমার ব্রোকার আমাকে ফোন করে এবং তার সাথেই টাকার লেনদেন হয়। বাড়ি গিয়ে যদি সার্ভিস দিতে হয় সেক্ষেত্রে টাকার অঙ্কটা অনেক বেশি!” অদৃজা আরও বলেন “এমনও দিন গেছে যেদিন আমি ২ ঘন্টায় ১০০০০ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করেছি। এই পেশায় নিযুক্ত যৌনকর্মীরা সবাই এতো টাকা একসঙ্গে রোজগার করার সুযোগ পায়না!”
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
