ই-পেপার সোমবার ● ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ● ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ● ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে ব্যবহৃত মাস্ক-গ্লাভস-পিপিই, বাড়ছে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Sunday, 21 June, 2020, 11:02 AM

যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে ব্যবহৃত মাস্ক-গ্লাভস-পিপিই, বাড়ছে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি

যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে ব্যবহৃত মাস্ক-গ্লাভস-পিপিই, বাড়ছে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি

করোনা প্রাদুর্ভাবের এই পর্যায়ে এসে সুরক্ষা সামগ্রীই যেন কাল হচ্ছে নগর জীবনে। ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠান উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত মাস্ক, গ্লাভস, পিপিই যত্রতত্র ফেলায় বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। অন্যদিকে, আক্রান্তের সংখ্যা লাখ ছাড়ালেও এখন পর্যন্ত এসব বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্বাস্থ্যসম্মত কোনো পদক্ষেপই নেয়নি সিটি করপোরেশন। চিকিৎসকরা বলছেন, কঠিন এই সময়ে মরার উপর খাঁড়ার ঘা হতে পারে এমন উদাসীনতা।  
 
ঢাকা শিশু হাসপাতাল প্রাঙ্গনের ভেতরেই যত্রতত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস এমনকি ব্যবহৃত পিপিই। এসব ব্যবহারের পর পুড়িয়ে ফেলার নিয়ম থাকলেও এমন উদাসীনতা ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয়।
 
অভিযোগ আছে, দিনের পর দিন হাসপাতালটির মূল ভবন লাগোয়া দেয়ালের সামনে এভাবেই পড়ে থাকে চিকিৎসা বর্জ্য। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারি করোনা পরিস্থিতিতেও চরিত্র বদলায়নি চিকিৎসা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানটির।
 
এতো গেলো হাসপাতালের উদাসীনতার খবর। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নাগরিক অসচেতনতা।
 
প্রতিনিয়ত যে হারে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে তাতে বাসাবাড়ির ময়লা আবর্জনাতেও করোনা রোগীর পরিত্যক্ত সামগ্রী মিশে থাকা অসম্ভব কিছু নয়। আর এসব বর্জ্য কোনো প্রকার সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়া খালি হাতে পরিস্কার করায় ভয়াবহ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছেন পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা।
 
 একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী বলেন, না না এগুলো পোড়ানো হয় না।
 
এসব বর্জ্যের শেষ পরিণতি দেখতে বর্জ্যবাহী একটি গাড়ির পিছু নেয় সময় সংবাদ। বিভিন্ন সড়ক পেরিয়ে গাড়িটি পৌঁছায় উত্তর সিটির আমিন বাজার ল্যান্ডফিলিং স্টেশনে। তবে স্পর্শকাতর ময়লা আলাদা করে ধ্বংস করা তো দূরের কথা, আগের মতোই স্তুপাকারে ফেলে চলে যায় গাড়ি।
 
চিকিৎসকরা বলছেন, সংকটকালীন এই সময়ে সামান্য উদাসীনতাও ডেকে আনতে পারে করুণ পরিণতি। অন্যদিকে, শীঘ্রই পরিকল্পিতভাবে বর্জ্য অপসারণ শুরুর আশ্বাস উত্তর সিটির।
 
ডিএনসিসির প্রধান ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এম সাইদুর রহমান বলেন, তিন লক্ষ পিস পলিব্যাগ আমরা বানাচ্ছি, বিভিন্ন ক্যাম্পেইন করছি যেন বিভিন্ন বর্জ্য এইভাবে না রাখা হয়।  
 
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক মোস্তফা কামাল রউফ বলেন, প্রথমেই বর্জ্যটা একটা ঢাকনাযুক্ত জায়গায় রাখব। সিটি কর্পোরেশন তাদের জায়গা মতন নিয়ে গিয়ে পুঁতে ফেলবে নাহয় পুড়িয়ে ফেলবে।
 
রাজধানীর দুই সিটিতে প্রতিদিন প্রায় ৬ হাজার ২৫০ টন বর্জ্য তৈরি হয়। করোনাকালে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিপুল পরিমান পরিত্যাক্ত সুরক্ষা সামগ্রী।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status