ই-পেপার সোমবার ● ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ● ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ● ৮ কার্তিক ১৪৩৩
গাছায় ৫ শিশুকে যৌন নিপীড়নের দায় স্বিকার, মামলায় গ্রেপ্তার ২
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Saturday, 24 October, 2026, 5:55 PM

গাছায় ৫ শিশুকে যৌন নিপীড়নের দায় স্বিকার, মামলায় গ্রেপ্তার ২

গাছায় ৫ শিশুকে যৌন নিপীড়নের দায় স্বিকার, মামলায় গ্রেপ্তার ২

গাজীপুর মহানগরীর গাছা এলাকায় একটি আবাসিক কওমি মাদরাসার আট বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে একাধিকবার যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন শিশুটির মা। মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে গাছা থানা-পুলিশ।

মামলার এজাহারে অভিযুক্তরা হলেন মো. অলিউল্লাহ ইসলাম (২৩), মোহাম্মদ মিজান (৩৮) ও মো. আব্দুল কুদ্দুস শেখ (৪৫)। তাঁদের মধ্যে অলিউল্লাহ ইসলাম ওই মাদরাসার শিক্ষক।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি মাদরাসার আবাসিক বিভাগে থেকে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। গত ৭ অক্টোবর বিকেল ৪টার দিকে তার মা তাকে মাদরাসায় রেখে যান। পরে ১৩ অক্টোবর দুপুরে শিশুটি বাসায় খেতে এলে গোসল করানোর সময় শরীরের একটি অংশে তীব্র ব্যথার কথা জানায়। ব্যথার কারণ জানতে চাইলে সে শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তোলে।

শিশুটির মায়ের অভিযোগ, ঘটনার বিষয়ে কাউকে কিছু জানালে মারধরের ভয় দেখানো হয়েছিল তাকে। বিষয়টি জানার পর তিনি মাদরাসায় গিয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। তবে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে মাদরাসাসংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তি ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে কৌশলে মাদরাসা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, শিশুটির মায়ের পরিচিত এক নারীর ১০ বছর বয়সী ছেলেও ওই মাদরাসায় পড়াশোনা করত। ওই শিশুও একই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিকবার যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। পরে মাদরাসার আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পারেন তাঁরা। ইতোমধ্যে এক ভিডিওতে অভিযুক্ত শিক্ষককে বলতে শোনা যায় ৫জন শিশুর সাথে তিনি এমন কর্মে লিপ্ত হন।

গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রব্বানী বলেন, এ ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগগুলো মামলার এজাহারভিত্তিক। আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তদের দোষী হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status