|
ফুডপান্ডার আম্বারিন-জুবায়েরসহ শীর্ষ ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
২ কোটি ৫০ লাখ টাকার পণ্য, পরিশোধ ১ কোটি ৫০ লাখ; বাকি টাকা নিয়ে মামলা
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ফুডপান্ডার আম্বারিন-জুবায়েরসহ শীর্ষ ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কয়েক কোটি টাকার পণ্য নিয়ে বিপুল অর্থ পরিশোধ না করা, পণ্য নষ্টের অজুহাতে ভুয়া ফেরত চালান তৈরি এবং চুক্তির বাইরে বিভিন্ন খাতে অর্থ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ফুডপান্ডা বাংলাদেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, জাল-জালিয়াতি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মামলায় প্রতিষ্ঠানটির পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। মামলার আসামিরা হলেন ফুডপান্ডা বাংলাদেশের কো-ফাউন্ডার ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দা আম্বারিন রেজা, কো-ফাউন্ডার ও পরিচালক জুবায়ের সিদ্দিকী, পান্ডামার্টের পরিচালক মো. তাবরেজ খান, হেড অব ক্যাটাগরি দিলারা ফারুক এবং সিনিয়র ম্যানেজার মোহাম্মদ সাজেদুল হক। মামলার নথি অনুযায়ী, রাজধানীর ব্যবসায়ী ও ফার্স্ট টেলি সেলস কোম্পানির স্বত্বাধিকারী শিহাব মাহমুদ বশির বাদী হয়ে পৃথক চারটি মামলা করেন। মামলাগুলো আমলে নিয়ে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্ল্যাহ গুলশান থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলা নম্বর ৩৫১৭/২৫, ৩৫১৮/২৫, ৩৫১৯/২৫ ও ৩৫২০/২৫। এজাহারে বলা হয়, বাদী আইপিএলই ইলেকট্রনিক্সের মাধ্যমে হাউজহোল্ড ও কিচেন অ্যাকসেসরিজ, মোবাইল অ্যাকসেসরিজসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করে ফুডপান্ডার সহযোগী প্রতিষ্ঠান পান্ডামার্টে সরবরাহ করতেন। ২০২২ সালের জুন থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন ক্রয়াদেশের মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার পণ্য সরবরাহ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব পণ্যের বিপরীতে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধ করা হলেও বাকি প্রায় ১ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে পাওনা অর্থ আটকে রেখে বিভিন্ন অজুহাতে বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ করেছেন বাদী। আরও গুরুতর অভিযোগ, সরবরাহ করা পণ্য নষ্ট হয়েছে দেখিয়ে ভুয়া ফেরত চালান তৈরি করা হয়েছে। এভাবে পাওনা অর্থ কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলেও এজাহারে অভিযোগ করা হয়। পাশাপাশি চুক্তির শর্ত ভেঙে ভ্যাট, ট্যাক্স ও বিজ্ঞাপন বাবদ প্রায় ১০ লাখ টাকা কেটে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। একদিকে কোটি টাকার পণ্য সরবরাহ, অন্যদিকে বিপুল অর্থ বকেয়া—এমন পরিস্থিতিতে ব্যবসায়িক লেনদেনের স্বচ্ছতা ও হিসাব ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পণ্য ফেরতের দাবি কতটা সত্য, ফেরত চালানগুলো কীভাবে তৈরি হয়েছে এবং বকেয়া অর্থ পরিশোধ না করার পেছনে প্রকৃত কারণ কী—তদন্তে এসব বিষয় খতিয়ে দেখার সুযোগ রয়েছে। একই অভিযোগে ফুডপান্ডা বাংলাদেশ লিমিটেডের ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক চারটি মামলা হওয়ার পর আদালতের নির্দেশে তদন্ত শুরু হয়েছে। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির ঘটনায় এখন মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপের দিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ফুলবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার
গুইমারার রামসু বাজারে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ঢেউটিন ও তরুণদের ক্রীড়া সামগ্রী দিল সেনাবাহিনী
ময়মনসিংহের কলেজ রোডে আদালতের আদেশ অমান্য করে বির্ল্ডিং নির্মাণের অভিযোগ
সাবেক প্রেমিকাকে গুলি করে নিজের জীবনও শেষ করলেন যুবক
