|
ড্যাফোডিলে সফল গ্র্যাজুয়েটদের সম্মাননা, সেরা নিয়োগদাতাদেরও দেওয়া হলো স্বীকৃতি
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ড্যাফোডিলে সফল গ্র্যাজুয়েটদের সম্মাননা, সেরা নিয়োগদাতাদেরও দেওয়া হলো স্বীকৃতি শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (সিডিসি) আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশে দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠান হয়। গত এক বছরে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাওয়া গ্র্যাজুয়েটদের পেশাগত সাফল্য উদযাপন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সাবেক শিক্ষার্থীদের দীর্ঘস্থায়ী যোগাযোগ গড়ে তোলাই ছিল আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক দেবদুলাল রায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক মো. মাহাবুবুল করিম, ডিআইইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, কোষাধ্যক্ষ ড. হামিদুল হক খান ও রেজিস্ট্রার ড. নাদির বিন আলী। এ ছাড়া ড্যাফোডিল ফ্যামিলির চেয়ারম্যান ও ডিআইইউ ট্রাস্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে ভিডিও বার্তা দেন। চাকরিপ্রাপ্ত আমন্ত্রিত গ্র্যাজুয়েটদের অভ্যর্থনা ও নিবন্ধনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। উদ্বোধনী পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্বাগত বক্তব্য দেন। পরে সফল গ্র্যাজুয়েটরা তাঁদের কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা ও সাফল্যের গল্প তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে চাকরিপ্রাপ্ত গ্র্যাজুয়েটদের নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। ডিআইইউ কালচারাল ক্লাবের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা সম্মেলন কেন্দ্র থেকে শুরু হওয়া র্যালিটি কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও শহীদ মিনার প্রদক্ষিণ করে নলেজ টাওয়ারে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় ডিআইইউ রোভার স্কাউট ও বিএনসিসির সাবেক শিক্ষার্থীরা গ্র্যাজুয়েটদের গার্ড অব অনার দেন। এবারের আয়োজনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ। সফল গ্র্যাজুয়েটদের সম্মাননা জানানোর সময় প্রচলিত ফুলের তোড়ার পরিবর্তে দেওয়া হয় শোভাবর্ধক ইনডোর গাছ। এর পাশাপাশি গ্র্যাজুয়েটদের পরানো হয় ঐতিহ্যবাহী স্যাশ। আয়োজকদের মতে, এ উদ্যোগের মাধ্যমে গ্র্যাজুয়েটদের সাফল্যের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের বার্তাও তুলে ধরা হয়েছে। দিনব্যাপী আয়োজনের শেষ পর্বে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। একই সঙ্গে কর্মসংস্থানে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘সেরা নিয়োগকর্তা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি কর্মজীবনে সফলতার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ তৈরি এবং সাবেক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ বজায় রাখতে নিয়মিত বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ‘প্লেসমেন্ট সেলিব্রেশন ডে’ সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
