|
আড়ালে ঘাম ঝরিয়ে ‘১২০ ভাগ’ প্রস্তুত হয়ে ফিরেছেন কোহলি
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() আড়ালে ঘাম ঝরিয়ে ‘১২০ ভাগ’ প্রস্তুত হয়ে ফিরেছেন কোহলি আইপিএলের ১৯তম আসরের প্রথম দিনটি দারুণ পারফরম্যান্সে রাঙিয়েছেন কোহলি। ৫টি করে চার ও ছক্কায় ৩৮ বলে অপরাজিত ৬৯ রানের ইনিংস উপহার দিয়েছেন তিনি। সঙ্গে দেবদুত পাডিক্কালের ২৬ বলে ৬১ ও অধিনায়ক রাজাত পাতিদানের ১২ বলে ৩১ রানের ইনিংসে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু জিতেছে ৬ উইকেটে। গত আসরের চ্যাম্পিয়নরা নতুন আসর শুরু করেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ২০১ রান টপকে ২৬ বল বাকি রেখেই জিতে। এই ইনিংসের পথে একটি মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন কোহলি। আইপিএলে রান তাড়ায় ৪ হাজার রান করা প্রথম ব্যাটসম্যান তিনিই। তার ধারেকাছে এখানে নেই কেউ। গত আইপিএলে বেঙ্গালুরুর বহু প্রতিক্ষীত প্রথম শিরোপা জয়ের পথে ৫৪.৭৫ গড়ে প্রায় ১৪৫ স্ট্রাইক রেটে ৬৫৭ রান করেছিলেন কোহলি। এরপর টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দীর্ঘ বিরতি পড়ে যায় তার। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিকে বিদায় বলেছেন তিনি ২০২৪ বিশ্বকাপ জয়ের পরই। ভারতীয় ক্রিকেটারদের দেশের বাইরের লিগে খেলতে দেওয়া হয় না। ঘরোয়া সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফিতেও তাকে দেখা যায়নি। সব মিলিয়ে গত আসরের ফাইনালের পর বিশ ওভারের ক্রিকেটে প্রথম ম্যাচ খেললেন এবারের আসরের প্রথম ম্যাচে। টি-টোয়েন্টি না খেললেও ভারতের হয়ে ওয়ানডে খেলছেন। সবশেষ সাত ওয়ানডেতে তার সেঞ্চুরি তিনটি, আরও তিন ইনিংসে করেছেন অপরাজিত ৭৪, অপরাজিত ৬৫ ও ৯৩। সবশেষ ওয়ানডেতে গত জানুয়ারিতে করেছেন ১০৮ বলে ১২৪। আইপিএলে দারুণ শুরুর পর কোহলি বললেন, ওয়ানডের ফর্ম তাকে সহায়তা করেছে ছন্দে থাকতে। “আপনি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের কথা বললেন, আমি শেষ যে ম্যাচটি খেলেছি, তা ছিল গত বছরের ফাইনাল। তবে সম্প্রতি ওয়ানডে সিরিজে যেভাবে ব্যাটিং করেছি, তা আমাকে একই ছন্দে থাকতে সাহায্য করেছে। এমন কোনো শট খেলছিলাম না, যা আমি সাধারণত খেলি না। তাই জানতাম, যতক্ষণ আমার ছন্দ থাকবে… ততক্ষণ সবকিছু সুন্দরভাবে মিলে যাবে।” “(বিরতির সময়) পর্দার আড়ালে ফিটনেস নিয়ে যথেষ্ট পরিশ্রম করেছি… । আজ রাতকে তাই সুযোগ ছিল ভালোভাবে শুরু করার এবং সেই ভিতকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যাওয়ার।” ভারতের হয়ে কেবল ওয়ানডেই খেলছেন তিনি। অন্য দুই সংস্করণকে বিদায় বলেছেন। শুধু এক সংস্করণ খেলে নিজের ফিটনেস ও ছন্দ ধরে রাখার কাজটি কঠিন। তবে তিনি তো কোহলি। লম্বা বিরতিতে মরচে পড়া নয়, তার জন্য বরং নিজেকে শাণিত করার সুযোগ। সেটিই করেছেন তিনি। শারীরিকভাবে ফিট ও মানসিকভাবে ফুরফুরে হয়ে তিনি ফিরেছেন নতুন মৌসুমে। “গত ১৫ বছরে আমাদের যে ধরনের সূচী ছিল এবং যে পরিমাণ ক্রিকেট খেলেছি, তাতে আমার জন্য অপ্রস্তুত থাকার চেয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ার ঝুঁকিই বেশি ছিল। এই বিরতিগুলো তাই আমাকে মানসিকভাবে সাহায্য করে। (বিরকির পর) আমি সতেজ থাকি, রোমাঞ্চিত থাকি। যখনই খেলায় ফিরি, ১২০ ভাগ দিয়ে ফিরি। কখনোই অপ্রস্তুত হয়ে ফিরি না।” “আসলে এই বাড়তি বিশ্রাম আমাকে মানসিকভাবে সতেজ হতে সাহায্য করে। যতক্ষণ শারীরিকভাবে ফিট এবং মানসিকভাবে চনমনে থাকা যায়, দুটি জিনিসই সুন্দরভাবে মিলে যায়। তখন দলের জন্য অবদান রাখা যায় এবং এটাই একজন ক্রিকেটারের কাম্য থাকে। শুধু দলে জায়গা ধরে রাখতে চাই না; পারফর্ম করে যেতে চাই এবং দলের জন্য পরিশ্রম করে যেতে চাই।” পরের ম্যাচের আগে বিশ্রাম ও কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ থাকছে কোহলিদের। আগামী রোববার তারা ঘরের মাঠেই খেলবেন চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
