|
শ্যামনগরে অতি বৃষ্টিতে নিম্ন আয়ের মানুষ বিপাকে
মোঃ আলফাত হোসেন, সাতক্ষীরা
|
![]() শ্যামনগরে অতি বৃষ্টিতে নিম্ন আয়ের মানুষ বিপাকে সোমবার (৮ জুলাই) ও মঙ্গলবার( ৯ জুলাই ) ভোর থেকে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সরজমিনে উপজেলার বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে ভোর থেকেই ভারি বৃষ্টি শুরু হয়। এরমধ্যেও নিম্ন আয়ের মানুষ তাদের কাজে বের হন। দোকানপাটসহ হোটেল, রেস্টুরেন্টগুলোতে মানুষের তেমন উপস্থিতি দেখা যাচ্ছেনা। অনেকেই দোকান খুলে অলস সময় কাটাতে ও দেখা গিয়েছে। কৈখালী গ্রামের ইজিবাইক চালক রফিকুল মোড়ল বলেন, ভোরে বৃষ্টিতে বের হয়েছি ভাড়া হয়নি, টুকটাক চালিয়ে ১২০ টাকা আয় হয়েছে। পশ্চিম কৈখালী গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী আলাউদ্দিন বলেন, আমি সকালে সোনার মোড় মাছের কাটায় মাছ পাইকারী কিনতে গিয়ে দেখি বৃষ্টির কারণে মাছ খুবই কম। তাই মাছ কিনতে পারিনি। নুরনগর হাজীপুর গ্রামের বাসিন্দা দিনমুজুর কার্তিক দাস বলেন, সারাদিন বৃষ্টির কারনে কাজ হযনি কাজ না করলে আমাদের দিন চলে না।জাহাঙ্গীর গাজী বলেন বাজার করার জন্য বৃষ্টিতে বের হয়েছি কিন্তু বাজারে অধিকাংশই দোকান বসেনি। আটুলিয়া বিড়ালক্ষী গ্রামের ইজিবাইক চালক সামাদ গাজী বলেন, বৃষ্টিতে রাস্তায় বের হয়েছি কিন্তু রাস্তায় কোন যাত্রী নেই।ভেঠখালী বাজারের তরকারি ব্যবসায়ী হারুন জানান তরকারি বেচে আমার সংসার চলে বৃষ্টির কারনে মালামাল কিনতে বের হতে পারেনি,সারাদিন বৃষ্টি তাই কষ্টে দিন পার করছি। সাপখালী গ্রামের মুদি ব্যাবসায়ী শওকত বলেন, বৃষ্টির কারণে দোকানে বেচা কেনা তেমন হয়নি। লোকজন তেমন আসেনি। চা বিক্রেতাজাকির হোসেন বলেন চা বিক্রি করে আমার সংসার চলে বুষ্টির কারনে দোকান খুললেও কোন ক্রেতা নেই। এ অবস্থা কতদিন চলবে তা কে জানে। পশ্চিম কৈখালী গ্রামের বাসিন্দা আমিরুল গাজী পেশায় জেলে- বাওয়ালী বলেন একদিকে সুন্দরবনে নিষেধাজ্ঞা থাকায় গ্রামে জনমজুর দিবো তা তো বৃষ্টিতে কাজকাম বন্ধ সংসার চালাবো কি করে ভাবছি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
